প্রধানমন্ত্রীর ঘর দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা, একজনের কারাদণ্ড
jugantor
প্রধানমন্ত্রীর ঘর দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা, একজনের কারাদণ্ড

  বরিশাল ব্যুরো  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:০১:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল সদর উপজেলায় ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের ঘর দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের অপরাধে খলিলুর রহমান নামে একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

খলিলুর রহমান বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের বারইকান্দি ও পতাং গ্রামে গিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন খলিল। এরপর ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প থেকে যাদের বাড়ি প্রয়োজন তাদের কাছ থেকে ২৫ হাজার করে টাকা নেন। এরপর ঘর না দিয়ে টাকা প্রদানকারীদের ঘোরাতে থাকেন। পরে ঘর না পাওয়ায় টাকা ফেরত চান ভুক্তভোগীরা। কিন্তু তিনি টালবাহানা শুরু করেন এবং ঘোরাতে থাকেন। এর মধ্যে একজনকে চেক দিলে সেই চেক ব্যাংকে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তা ডিজঅনার হয়। তখন তারা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।

রোববার টাকা দেওয়ার কথা বলে খলিলকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড নথুল্লাবাদে আসতে বলা হলে সে সেখানে আসে। পরে তাকে সেখান থেকে ধরে বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সোপর্দ করেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বরিশাল সদরের ভূমি কর্মকর্তা নিশাত তামান্না। তিনি জানান, খলিলুর রহমান কোনোভাবেই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত নন; তিনি যাদের কথা বলেছেন তাও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তবে তিনি যে এ প্রকল্পের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণে টাকা নিয়েছেন তা প্রমাণিত হয়েছে। আর ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রতারক খলিল এসব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এ অপরাধে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘর দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা, একজনের কারাদণ্ড

 বরিশাল ব্যুরো 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল সদর উপজেলায় ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্পের ঘর দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের অপরাধে খলিলুর রহমান নামে একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

খলিলুর রহমান বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের রায়পাশা গ্রামের ফারুক হাওলাদারের ছেলে।

ভুক্তভোগীরা জানান, বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের বারইকান্দি ও পতাং গ্রামে গিয়ে একটি কমিটি গঠন করেন খলিল। এরপর ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প থেকে যাদের বাড়ি প্রয়োজন তাদের কাছ থেকে ২৫ হাজার করে টাকা নেন। এরপর ঘর না দিয়ে টাকা প্রদানকারীদের ঘোরাতে থাকেন। পরে ঘর না পাওয়ায় টাকা ফেরত চান ভুক্তভোগীরা। কিন্তু তিনি টালবাহানা শুরু করেন এবং ঘোরাতে থাকেন। এর মধ্যে একজনকে চেক দিলে সেই চেক ব্যাংকে নিয়ে গেলে সেখান থেকে তা ডিজঅনার হয়। তখন তারা প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পারেন।

রোববার টাকা দেওয়ার কথা বলে খলিলকে বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড নথুল্লাবাদে আসতে বলা হলে সে সেখানে আসে। পরে তাকে সেখান থেকে ধরে বরিশাল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সোপর্দ করেন ভুক্তভোগীরা।

উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন বরিশাল সদরের ভূমি কর্মকর্তা নিশাত তামান্না। তিনি জানান, খলিলুর রহমান কোনোভাবেই একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত নন; তিনি যাদের কথা বলেছেন তাও মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। তবে তিনি যে এ প্রকল্পের নামে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণে টাকা নিয়েছেন তা প্রমাণিত হয়েছে। আর ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রতারক খলিল এসব ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এ অপরাধে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন