গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ২২৪ জন
jugantor
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ২২৪ জন

  বরিশাল ব্যুরো  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৪:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত 'ক' ইউনিট বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে 'ক' ইউনিটে ৩ হাজার ৪৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ২৩৪ জন। অর্থাৎ ২২৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। সেই হিসাবে উপস্থিতির হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

এবারই প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গুচ্ছে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একটি পরীক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো একটিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। এতে শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও মানসিক কষ্ট লাঘব হবে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

সব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় একটি গুচ্ছে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব আরও ত্বরান্বিত হবে।

এদিকে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা-অভিভাবকরা উচ্ছ্বাস, আশঙ্কা উভয়ই প্রকাশ করেছেন।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ২২৪ জন

 বরিশাল ব্যুরো 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত 'ক' ইউনিট বিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে 'ক' ইউনিটে ৩ হাজার ৪৫৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ২৩৪ জন। অর্থাৎ ২২৪ জন অনুপস্থিত ছিলেন। সেই হিসাবে উপস্থিতির হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫ শতাংশ।

এবারই প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ছাদেকুল আরেফিন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একটি গুচ্ছে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। একটি পরীক্ষার মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো একটিতে ভর্তির সুযোগ পাবে। এতে শিক্ষার্থীদের আর্থিক ও মানসিক কষ্ট লাঘব হবে। আমরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে ভর্তি পরীক্ষার সব কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

সব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আগামীতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় একটি গুচ্ছে পরীক্ষা নিলে শিক্ষার্থীদের কষ্ট লাঘব আরও ত্বরান্বিত হবে।

এদিকে ২০টি বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়ায় শিক্ষার্থীরা-অভিভাবকরা উচ্ছ্বাস, আশঙ্কা উভয়ই প্রকাশ করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন