মন্দির ভাংচুর: নোয়াখালীতে ২০০ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা
jugantor
মন্দির ভাংচুর: নোয়াখালীতে ২০০ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৪:৩২  |  অনলাইন সংস্করণ

শুক্রবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী মন্দির ভাংচুর ও ২ সনাতন ধর্মীয় ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ ও ১৫০-২০০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেছেন ইসকন মন্দিরের ভক্ত রসদিয়া দাস ওরফে দেবনাথ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তারা শান্তিপূর্ণভাবে শুক্রবার সকাল ১০টায় তাদের পূজা অর্চনা করছিলেন। এমন সময় দুই শতাধিক লোক বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের উত্তর পাশের ইসকন মন্দিরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এ সময় পুরোহিতসহ মন্দিরভক্তরা এদিক সেদিক ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে যতন সাহাকে (৪২) পিটিয়ে হত্যা করে এবং আতঙ্কে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রান্ত সাহা মণ্ডপের পাশে পুকুরে পড়ে ডুবে যান। শনিবার তার লাশ ভেসে উঠলে পুলিশ উদ্ধার করে।

পুলিশ এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৪৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে। এর মধ্যে ১২-১৪ বছরের শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম খবরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পুলিশ এসল্টের দুটি মামলা ও ভাংচুর করা প্রতিটি মন্দিরের জন্য ১টি করে মামলা দায়ের হবে এবং তদন্ত করে অপরাধী যেই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

মন্দির ভাংচুর: নোয়াখালীতে ২০০ ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:০৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শুক্রবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী মন্দির ভাংচুর ও ২ সনাতন ধর্মীয় ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ ও ১৫০-২০০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেছেন ইসকন মন্দিরের ভক্ত রসদিয়া দাস ওরফে দেবনাথ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তারা শান্তিপূর্ণভাবে শুক্রবার সকাল ১০টায় তাদের পূজা অর্চনা করছিলেন। এমন সময় দুই শতাধিক লোক বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের উত্তর পাশের ইসকন মন্দিরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এ সময় পুরোহিতসহ মন্দিরভক্তরা এদিক সেদিক ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে যতন সাহাকে (৪২) পিটিয়ে হত্যা করে এবং আতঙ্কে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রান্ত সাহা মণ্ডপের পাশে পুকুরে পড়ে ডুবে যান। শনিবার তার লাশ ভেসে উঠলে পুলিশ উদ্ধার করে।

পুলিশ এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৪৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে। এর মধ্যে ১২-১৪ বছরের শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম খবরের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া পুলিশ এসল্টের দুটি মামলা ও ভাংচুর করা প্রতিটি মন্দিরের জন্য ১টি করে মামলা দায়ের হবে এবং তদন্ত করে অপরাধী যেই হোক কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন