প্রবাসীর স্ত্রীর ত্রিভুজ প্রেমে খুন হন সুজন
jugantor
প্রবাসীর স্ত্রীর ত্রিভুজ প্রেমে খুন হন সুজন

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৫২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর ত্রিভুজ প্রেমের কারণে পোল্ট্রি খামারি সুজন আহাম্মেদ খুন হয়েছেন বলে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য ফাঁস হয়েছে। সোমবার সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।

স্থানীয় সূত্র জানান, পোল্ট্রি খামারি মো. সুজন আহাম্মেদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে একই এলাকার মো. আসলাম হোসেন ও মো. ইয়াদ আলীসহ আরও কয়েকজন তরুণ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি নিয়ে কেউ কাউকে মোটেও সহ্য করতে পারতেন না। একজনের অন্তরালে অপরজন ওই প্রেমিকার সঙ্গে গোপনে মিলিত হতেন।

বৃহস্পতিবার রাতে পোল্ট্রি খামারি মো. সুজন আহাম্মেদ এক মোটরসাইকেল চালককে সঙ্গে করে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিরিয়ানির প্যাকেট দিতে যান। আর খবর পেয়ে তার পিছু নেন অন্য প্রেমিকরা।

প্রেমিকার বাড়িতে যাওয়ার পরই ওই পোল্ট্রি খামারিকে খুন করা হয়। খুনের পর লাশ গুমের চেষ্টা করলে তা এলাকাবাসীর নজরে আসে। খবর পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে প্রেমিকা এবং তার মা-বাবা ও মোটরসাইকেল চালকসহ ৪ জনকে আটক করে থানায় নেয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

এলাকাবাসী ও আটকৃতদের দেয়া তথ্যমতে পুলিশ তদন্ত কাজে নামে। এলাকাবাসী পুলিশকে এ ত্রিভুজ প্রেমের ব্যাপারে অবহিত করেন বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। তবে পুলিশ তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের কোনো তথ্য দিতে অস্বীকার করেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বদিউজ্জামান বলেন, প্রেমঘটিত কারণেই খুন হয়েছেন তরুণ পোল্ট্রি খামরি সুজন আহাম্মেদ। এ ব্যাপারে প্রেমিকাসহ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুনের নেপথ্যে অনেক ঘটনা রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তা আপাতত বলা যাবে না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

প্রবাসীর স্ত্রীর ত্রিভুজ প্রেমে খুন হন সুজন

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর ত্রিভুজ প্রেমের কারণে পোল্ট্রি খামারি সুজন আহাম্মেদ খুন হয়েছেন বলে চাঞ্চল্যকর এক তথ্য ফাঁস হয়েছে। সোমবার সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য জানান।

স্থানীয় সূত্র জানান, পোল্ট্রি খামারি মো. সুজন আহাম্মেদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে একই এলাকার মো. আসলাম হোসেন ও মো. ইয়াদ আলীসহ আরও কয়েকজন তরুণ প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি নিয়ে কেউ কাউকে মোটেও সহ্য করতে পারতেন না। একজনের অন্তরালে অপরজন ওই প্রেমিকার সঙ্গে গোপনে মিলিত হতেন।

বৃহস্পতিবার রাতে পোল্ট্রি খামারি মো. সুজন আহাম্মেদ এক মোটরসাইকেল চালককে সঙ্গে করে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিরিয়ানির প্যাকেট দিতে যান। আর খবর পেয়ে তার পিছু নেন অন্য প্রেমিকরা।

প্রেমিকার বাড়িতে যাওয়ার পরই ওই পোল্ট্রি খামারিকে খুন করা হয়। খুনের পর লাশ গুমের চেষ্টা করলে তা এলাকাবাসীর নজরে আসে। খবর পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়া হলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে প্রেমিকা এবং তার মা-বাবা ও মোটরসাইকেল চালকসহ ৪ জনকে আটক করে থানায় নেয়া হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

এলাকাবাসী ও আটকৃতদের দেয়া তথ্যমতে পুলিশ তদন্ত কাজে নামে। এলাকাবাসী পুলিশকে এ ত্রিভুজ প্রেমের ব্যাপারে অবহিত করেন বলে সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছেন। তবে পুলিশ তদন্তের স্বার্থে এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের কোনো তথ্য দিতে অস্বীকার করেছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. বদিউজ্জামান বলেন, প্রেমঘটিত কারণেই খুন হয়েছেন তরুণ পোল্ট্রি খামরি সুজন আহাম্মেদ। এ ব্যাপারে প্রেমিকাসহ ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। খুনের নেপথ্যে অনেক ঘটনা রয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তা আপাতত বলা যাবে না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন