মন্দির ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ: উলিপুরে ৫ মামলায় আসামি ৭০০
jugantor
মন্দির ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ: উলিপুরে ৫ মামলায় আসামি ৭০০

  উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৫:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ১৩ অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুর্গা মন্দির ভাংচুরসহ প্রতিমায় অগ্নিসংযোগ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে লুটপাটের ঘটনায় পৃথক ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

৪টি মামলায় পুলিশ ও ১টিতে মন্দির কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাগুলোয় নামীয় ৩৫ জন ও ৬০০-৭০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। রোববার রাতে এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির কমিটি ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর রাতে দুর্গাপূজা চলাকালে উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙ্গা ব্রাহ্মণ পাড়া দুর্গা মন্দির, পশ্চিম কালুডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, নেফড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির ও থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা ভারতপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এবং বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বেগমগঞ্জ সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে মন্দিরসহ প্রতিমা ভাংচুর, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও মন্দির সংলগ্ন বাড়িঘর ভাংচুর এবং লুটপাট চালায়।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, মন্দির ভাংচুর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ১৭ অক্টোবর রাত পর্যন্ত ৩০ জন দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলার প্রধান আসামি উপজেলা ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সভাপতি আবু সাঈদ সুমন। তিনি পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে আটকের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখন পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মন্দির ভাংচুর ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মন্দির ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ: উলিপুরে ৫ মামলায় আসামি ৭০০

 উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ১৩ অক্টোবর রাতে দুর্বৃত্তদের হামলায় দুর্গা মন্দির ভাংচুরসহ প্রতিমায় অগ্নিসংযোগ ও হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে লুটপাটের ঘটনায় পৃথক ৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

৪টি মামলায় পুলিশ ও ১টিতে মন্দির কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলাগুলোয় নামীয় ৩৫ জন ও ৬০০-৭০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। রোববার রাতে এ মামলাগুলো দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। 

ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির কমিটি ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৩ অক্টোবর রাতে দুর্গাপূজা চলাকালে উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙ্গা ব্রাহ্মণ পাড়া দুর্গা মন্দির, পশ্চিম কালুডাঙ্গা সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, নেফড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির ও থেতরাই ইউনিয়নের হোকডাঙ্গা ভারতপাড়া সার্বজনীন দুর্গা মন্দির এবং বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের বেগমগঞ্জ সার্বজনীন দুর্গা মন্দিরে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে মন্দিরসহ প্রতিমা ভাংচুর, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও মন্দির সংলগ্ন বাড়িঘর ভাংচুর এবং লুটপাট চালায়।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, মন্দির ভাংচুর ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ১৭ অক্টোবর রাত পর্যন্ত ৩০ জন দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলার প্রধান আসামি উপজেলা ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সভাপতি আবু সাঈদ সুমন। তিনি পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে আটকের জোর চেষ্টা চালাচ্ছে।

উলিপুর থানার ওসি ইমতিয়াজ কবির মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এখন পর্যন্ত ভিডিও ফুটেজ ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মন্দির ভাংচুর ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাগুলো দায়ের করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন