ফতুল্লায় ট্রাকচাপায় সাংবাদিক নিহত, সহকর্মীদের ক্ষোভ
jugantor
ফতুল্লায় ট্রাকচাপায় সাংবাদিক নিহত, সহকর্মীদের ক্ষোভ

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০৫:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বেপরোয়া একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শফিকুল ইসলাম জনি নামে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়কে ফতুল্লার পঞ্চবটি কলোনির সামনে ট্রাক তাকে চাপা দেয়।

এ সময় দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন সোমবার রাত সাড়ে ৩টায় মৃত্যুবরণ করেন।

নিহত সাংবাদিক জনি ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী খানকা এলাকার আমির হোসেনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও দুই বছর বয়সি একটি ছেলেসন্তান রেখে গেছেন।

জনি ফতুল্লা মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য, এসটিভির ফতুল্লা প্রতিনিধি ও নারায়ণগঞ্জের আলো নামে একটি স্থানীয় পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ফটো নারায়ণগঞ্জ অনলাইন পোর্টালেরও সম্পাদনা করতেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে করে সাংবাদিক জনি ফতুল্লা থেকে চাষাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বেপরোয়া গতির শাহ সিমেন্ট কোম্পানির একটি ট্রাক মোটরসাইকেলসহ জনিকে চাপা দিয়ে চলে যায়।

এ সময় আশপাশের লোকজন এসে জনিকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম জানান, শাহ সিমেন্টের ট্রাকচালকরা খুবই বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালান। প্রায়ই তাদের ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে হতাহত হচ্ছেন শিশুসহ পথচারীরা।

সাংবাদিক জনি হত্যার প্রতিবাদে বুধবার বেলা ১১টায় ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেপরোয়া ট্রাকচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানান সাংবাদিকরা।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

ফতুল্লায় ট্রাকচাপায় সাংবাদিক নিহত, সহকর্মীদের ক্ষোভ

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বেপরোয়া একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে শফিকুল ইসলাম জনি নামে এক সাংবাদিক নিহত হয়েছেন।

সোমবার রাত সাড়ে ১০টায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ পুরনো সড়কে ফতুল্লার পঞ্চবটি কলোনির সামনে ট্রাক তাকে চাপা দেয়।

এ সময় দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন সোমবার রাত সাড়ে ৩টায় মৃত্যুবরণ করেন।

নিহত সাংবাদিক জনি ফতুল্লার ইসদাইর গাবতলী খানকা এলাকার আমির হোসেনের ছেলে। তিনি স্ত্রী ও দুই বছর বয়সি একটি ছেলেসন্তান রেখে গেছেন।

জনি ফতুল্লা মডেল প্রেসক্লাবের সদস্য, এসটিভির ফতুল্লা প্রতিনিধি ও নারায়ণগঞ্জের আলো নামে একটি স্থানীয় পত্রিকার ফটো সাংবাদিক ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ফটো নারায়ণগঞ্জ অনলাইন পোর্টালেরও সম্পাদনা করতেন।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় স্থানীয় মসজিদে জানাজা শেষে মাসদাইর কেন্দ্রীয় কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলে করে সাংবাদিক জনি ফতুল্লা থেকে চাষাড়ার দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বেপরোয়া গতির শাহ সিমেন্ট কোম্পানির একটি ট্রাক মোটরসাইকেলসহ জনিকে চাপা দিয়ে চলে যায়।

এ সময় আশপাশের লোকজন এসে জনিকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম জানান, শাহ সিমেন্টের ট্রাকচালকরা খুবই বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালান। প্রায়ই তাদের ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে হতাহত হচ্ছেন শিশুসহ পথচারীরা।

সাংবাদিক জনি হত্যার প্রতিবাদে বুধবার বেলা ১১টায় ফতুল্লা প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বেপরোয়া ট্রাকচালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কাছে দাবি জানান সাংবাদিকরা।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, এ বিষয়ে মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন