অভিযোগ করে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন গ্রাহক
jugantor
অভিযোগ করে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন গ্রাহক

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ২০:১১:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ‘হিমালয় ফিলিং স্টেশন’ নামের একটি পাম্প থেকে এক ব্যক্তি ভেজাল ডিজেল কিনে প্রতারিত হওয়ায় তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় শুনানি শেষে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগকারী মো. সাদ্দাম হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি ও প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান তার কক্ষে মো. সাদ্দাম হোসেনের হাতে নগদ ওই পরিমাণ টাকা তুলে দেন। এ সময় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হেসেন গত ২০ সেপ্টেম্বর কেন্দুয়ার সান্ধিকোনা এলাকায় ‘হিমালয় ফিলিং স্টেশন’ থেকে তার মাহিন্দ্র গাড়ির জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকার ডিজেল কিনেন। কিন্তু ওই ডিজেল গাড়িতে ভরার পর থেকেই গাড়িটির সমস্যা সৃষ্টি হয়। পর দিন দুপুরে তিনি এ নিয়ে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। পরে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় গাড়িতে দেওয়া ডিজেলে ভেজাল ছিল।

মঙ্গলবার এ নিয়ে শুনানি হয়। পরে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মালিক মিজানুর রহমান তাদের দোষ স্বীকার করে অভিযোগকারীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি একই সঙ্গে অভিযোগকারীর সম্মতিতে অভিযোগকারীকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে তিনি সতর্ক থাকার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিষয়গুলো মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগ করে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ পেলেন গ্রাহক

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৮:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় ‘হিমালয় ফিলিং স্টেশন’ নামের একটি পাম্প থেকে এক ব্যক্তি ভেজাল ডিজেল কিনে প্রতারিত হওয়ায় তিনি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। পরে অভিযোগের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় শুনানি শেষে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটি অভিযোগকারী মো. সাদ্দাম হোসেন নামের ওই ব্যক্তিকে ৩৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি ও প্রশাসক কাজি মো. আবদুর রহমান তার কক্ষে মো. সাদ্দাম হোসেনের হাতে নগদ ওই পরিমাণ টাকা তুলে দেন। এ সময় জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম হেসেন গত ২০ সেপ্টেম্বর কেন্দুয়ার সান্ধিকোনা এলাকায় ‘হিমালয় ফিলিং স্টেশন’ থেকে তার মাহিন্দ্র গাড়ির জন্য ২ হাজার ৫০০ টাকার ডিজেল কিনেন। কিন্তু ওই ডিজেল গাড়িতে ভরার পর থেকেই গাড়িটির সমস্যা সৃষ্টি হয়। পর দিন দুপুরে তিনি এ নিয়ে জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ে অভিযোগ করেন। পরে পরীক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া যায় গাড়িতে দেওয়া ডিজেলে ভেজাল ছিল।

মঙ্গলবার এ নিয়ে শুনানি হয়। পরে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মালিক মিজানুর রহমান তাদের দোষ স্বীকার করে অভিযোগকারীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি একই সঙ্গে অভিযোগকারীর সম্মতিতে অভিযোগকারীকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৩৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে তিনি সতর্ক থাকার পাশাপাশি ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিষয়গুলো মেনে চলার অঙ্গীকার করেন।

জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন