পরকীয়া প্রেমের বলি আনোয়ারা
jugantor
পরকীয়া প্রেমের বলি আনোয়ারা

  কুমিল্লা ব্যুরো  

১৯ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৭:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় পরকীয়া প্রেমের বিরোধের জের ধরে আনোয়ারা বেগম নামে এক নারীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর ওই নারীর ক্ষতবিক্ষত লাশ বস্তায় ভরে জেলার দাউদকান্দির মালিখিল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ঘাতক পরকীয়া প্রেমিক মো. কানু মিয়াকে (৫০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

কানু জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে এবং মঠপুস্কুরিণী এলাকায় ‘মাহি ফার্নিচার মার্ট’ নামে তার একটি দোকান রয়েছে।

নিহত আনোয়ারা বেগম (৪২) একই উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আলী আশরাফের মেয়ে। তবে তিনি দুই সন্তান নিয়ে নগরীর শাকতলা এলাকায় বসবাস করতেন।

হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্লু-লেস এ খুনের রহস্য উন্মোচন করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের দাবি, কানু মিয়া একাই খুন করেছেন ওই নারীকে। রোববার সকালে দাউদকান্দির মালিখিল গ্রাম থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানিয়েছেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

তিনি জানান, ওই নারীর সঙ্গে কানু মিয়ার দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সে ভিকটিমকে আর্থিক সহায়তা ও ভরণ-পোষণ করে আসছিল। ইতোমধ্যে কানু মিয়া জানতে পারেন যে, তাকে ছাড়াও ভিকটিমের আরও একাধিক লোকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে কানু মিয়া র্যায়বকে জানিয়েছেন, এসব ঘটনার কারণে আনোয়ারার প্রতি তার মনে ক্ষোভ ও প্রতিহিংসার সৃষ্টি হয়। গত শনিবার দুপুরে আনোয়ারা কানুর দোকানে গিয়ে তার বিভিন্ন আর্থিক চাহিদার কথা বললে কানু মিয়া তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক কথাকাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে কানু মিয়া তার দোকানে ফার্নিচার তৈরির কাজে ব্যবহৃত ‘বাটাল’ দিয়ে প্রথমে ভিকটিমের পেটে আঘাত করে ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরবর্তীতে গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এরপর কৌশলে লাশ বস্তায় ভরে দাউদকান্দির ওই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

পরকীয়া প্রেমের বলি আনোয়ারা

 কুমিল্লা ব্যুরো 
১৯ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় পরকীয়া প্রেমের বিরোধের জের ধরে আনোয়ারা বেগম নামে এক নারীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর ওই নারীর ক্ষতবিক্ষত লাশ বস্তায় ভরে জেলার দাউদকান্দির মালিখিল এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ঘাতক পরকীয়া প্রেমিক মো. কানু মিয়াকে (৫০) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

কানু জেলার আদর্শ সদর উপজেলার ধনপুর গ্রামের মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে এবং মঠপুস্কুরিণী এলাকায় ‘মাহি ফার্নিচার মার্ট’ নামে তার একটি দোকান রয়েছে।

নিহত আনোয়ারা বেগম (৪২) একই উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আলী আশরাফের মেয়ে। তবে তিনি দুই সন্তান নিয়ে নগরীর শাকতলা এলাকায় বসবাস করতেন।

হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্লু-লেস এ খুনের রহস্য উন্মোচন করেছে র‌্যাব। র‌্যাবের দাবি, কানু মিয়া একাই খুন করেছেন ওই নারীকে। রোববার সকালে দাউদকান্দির মালিখিল গ্রাম থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত জানিয়েছেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন।

তিনি জানান, ওই নারীর সঙ্গে কানু মিয়ার দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। সে ভিকটিমকে আর্থিক সহায়তা ও ভরণ-পোষণ করে আসছিল। ইতোমধ্যে কানু মিয়া জানতে পারেন যে, তাকে ছাড়াও ভিকটিমের আরও একাধিক লোকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদে কানু মিয়া র্যায়বকে জানিয়েছেন, এসব ঘটনার কারণে আনোয়ারার প্রতি তার মনে ক্ষোভ ও প্রতিহিংসার সৃষ্টি হয়। গত শনিবার দুপুরে আনোয়ারা কানুর দোকানে গিয়ে তার বিভিন্ন আর্থিক চাহিদার কথা বললে কানু মিয়া তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ব্যাপক কথাকাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে কানু মিয়া তার দোকানে ফার্নিচার তৈরির কাজে ব্যবহৃত ‘বাটাল’ দিয়ে প্রথমে ভিকটিমের পেটে আঘাত করে ক্ষত-বিক্ষত করেন। পরবর্তীতে গলায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এরপর কৌশলে লাশ বস্তায় ভরে দাউদকান্দির ওই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন