তিস্তার পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
jugantor
তিস্তার পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

  নীলফামারী প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:১২:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানিবিপদসীমার ৬০ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। এরপর বুধবার ভোর ৬টায় নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছেতিস্তার পানি। হঠাৎ নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে থাকে। বুধবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তার পানি ৫৩ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ী, খগাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১৫টি চর প্লাবিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা।এ ছাড়া অনেক এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদ দৌলা জানান, উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিস্তার পানি প্রবাহিত হচ্ছে বিপদসীমার ওপর দিয়ে, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

 নীলফামারী প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:১২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৬০ সে.মি. ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে। এরপর বুধবার ভোর ৬টায় নীলফামারীর ডালিয়া তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তার পানি। হঠাৎ নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তিস্তাপাড়ের মানুষজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। 

নীলফামারীর ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম জানান, উজানের পাহাড়ি ঢলে মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে থাকে। বুধবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তার পানি ৫৩ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার (বিপদসীমা ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির গতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে রাখা হয়েছে।

তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার  পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ী, খগাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি  ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১৫টি চর প্লাবিত হয়েছে  বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা।এ ছাড়া অনেক এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারীর ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদ দৌলা জানান,  উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে যাওয়ায় ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দিয়ে পানি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন