ডব্লিউএফপির রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি চামেলি দাস
jugantor
ডব্লিউএফপির রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি চামেলি দাস

  পূবাইল ও পূর্বাচল গাজীপুর প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৭:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (WFP) এর উদ্যোগে জাপানে আয়োজিত আর্টিকেল রচনা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চামেলি দাস প্রথম স্থান অধিকার করেছে।

চামেলি দাস (১৬) গাজীপুরের জয়দেবপুর সদর থানার বাড়িয়া ইউনিয়নের বড়কয়ের গ্রামের জাপানে বসবাসরত বাবা ঊষা রঞ্জন ও মা জাপানিজ আকিকো মাৎসুশিতার একমাত্র মেয়ে। সে এখন জাপানের টেনথ গ্রেডের (দশম শ্রেণি সমমান) ছাত্রী।

শুক্রবার জাপানের টোকিওর মারিয়ত হোটেলে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে চামেলি দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জাপানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের বিশেষ প্রতিনিধি আরিশ হিরসে।

জানা যায়, এই প্রতিযোগিতায় সমগ্র জাপান থেকে অংশ নেয়া ২৩ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চামেলি দাস প্রথম স্থান অর্জন করেন। ফলে জাপানে বাংলাদেশি কমিউনিটি ও জাপানিজদের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় ও সাড়া ফেলেছে। ওই সময় অনুষ্ঠানটি জাপানের জনপ্রিয় নিউজ মিডিয়া ইয়াহুনিউজ এবং টিভিএস টিভিসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে চামেলির কৃতিত্বের খবর ফলাও করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, চামেলি দাসের বাবা ঊষা রঞ্জন বাংলাদেশি জাপানিজ ও মা আকিকো মাৎসুশিতা মধ্য জাপানের সিজিউকা এলাকায় তাদের প্রতিষ্ঠিত ইংলিশ স্কুল ঊষা ইংলিশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। বর্তমানে মধ্য জাপানের সিজিউকায় পরিবারসহ বসবাস করছেন।

ডব্লিউএফপির রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশি চামেলি দাস

 পূবাইল ও পূর্বাচল গাজীপুর প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২১, ০৬:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (WFP) এর উদ্যোগে জাপানে আয়োজিত আর্টিকেল রচনা প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চামেলি দাস প্রথম স্থান অধিকার করেছে। 

চামেলি দাস (১৬) গাজীপুরের জয়দেবপুর সদর থানার বাড়িয়া ইউনিয়নের বড়কয়ের গ্রামের জাপানে বসবাসরত বাবা ঊষা রঞ্জন ও মা জাপানিজ আকিকো মাৎসুশিতার একমাত্র মেয়ে। সে এখন জাপানের টেনথ গ্রেডের (দশম শ্রেণি সমমান) ছাত্রী।

শুক্রবার জাপানের টোকিওর মারিয়ত হোটেলে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে চামেলি দাসের হাতে পুরস্কার তুলে দেন জাপানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের বিশেষ প্রতিনিধি আরিশ হিরসে। 

জানা যায়, এই প্রতিযোগিতায় সমগ্র জাপান থেকে অংশ নেয়া ২৩ হাজার ৭৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত চামেলি দাস প্রথম স্থান অর্জন করেন। ফলে জাপানে বাংলাদেশি কমিউনিটি ও জাপানিজদের মধ্যে ব্যাপক তোলপাড় ও সাড়া ফেলেছে। ওই সময় অনুষ্ঠানটি জাপানের জনপ্রিয় নিউজ মিডিয়া ইয়াহুনিউজ এবং টিভিএস টিভিসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে চামেলির কৃতিত্বের খবর ফলাও করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, চামেলি দাসের বাবা ঊষা রঞ্জন বাংলাদেশি জাপানিজ ও মা আকিকো মাৎসুশিতা মধ্য জাপানের সিজিউকা এলাকায় তাদের প্রতিষ্ঠিত ইংলিশ স্কুল ঊষা ইংলিশ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক। বর্তমানে মধ্য জাপানের সিজিউকায় পরিবারসহ বসবাস করছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন