ব্যারিস্টার হওয়ার সাধ মিটল না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর
jugantor
ব্যারিস্টার হওয়ার সাধ মিটল না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫২:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যারিস্টার হবার সাধ মিটল না স্বর্ণার। রোববারের পরীক্ষায়ও বসা হলো না তার। এরই মধ্যে সকালেই বাড়ির কাজের মেয়ে তার ঘর ঝাড়ু দিতে এসেই দেখতে পান স্বর্ণার নিথর দেহ ঝুলছে ছাদের সিলিংয়ের হুকের সঙ্গে।

মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে সাতক্ষীরা শহরের খুলনা মোড়ের পাশে মধুমোল্লারডাঙ্গীতে বাবা ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সেলিমের বাড়িতে।

মেধাবী ছাত্রী সুমাইয়া মেহজাবিন স্বর্ণা ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। বৃহস্পতিবার একটি পরীক্ষার জন্য বাবার সঙ্গে তার ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। রোববারের সেই পরীক্ষায় বসা হলো না তার।

স্বর্ণার বাবা নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম জানান, আমি ছিলাম কর্মস্থলে। মঙ্গলবার রাতে পড়া শেষ করে স্বর্ণা তার মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। ভোর ৫টা কিংবা সাড়ে ৫টায় মায়ের কোল থেকে উঠে নিজের ঘরে যায় সে। আজ ছুটির দিন হওয়ায় সবাই বেশিক্ষণ ঘুমন্ত ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে কাজের মেয়ে ঝাড়ু দিতে স্বর্ণার ঘরে ঢুকতেই দেখতে পায় তার ঝুলন্ত লাশ। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। নিকটেই সদর হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার স্বর্ণাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশীরা জানান, স্বর্ণা খুব মেধাবী মেয়ে ছিল। খুব হাসিখুশি সরল সহজ স্বভাবের মেয়েটি থাকতো লেখাপড়া নিয়েই ব্যস্ত। তার লক্ষ্য ছিল ব্যারিস্টার হওয়ার। ওর কথা অনুযায়ী আমরা জানতাম স্বর্ণা একদিন ব্যারিস্টার হবে। কিন্তু এখন সব হারিয়ে গেল।

সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই মো. শরিফুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতাল থেকে লাশ গ্রহণ করি। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ বাবা মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তার গলায় ফাঁসের দাগ ছিল। প্রাথমিকভাবে আমি এটাকে আত্মহত্যা বলে মনে করছি। পরিবারের দাবিও তাই। এ নিয়ে আরও তদন্ত হবে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ব্যারিস্টার হওয়ার সাধ মিটল না জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্যারিস্টার হবার সাধ মিটল না স্বর্ণার। রোববারের পরীক্ষায়ও বসা হলো না তার। এরই মধ্যে সকালেই বাড়ির কাজের মেয়ে তার ঘর ঝাড়ু দিতে এসেই দেখতে পান স্বর্ণার নিথর দেহ ঝুলছে ছাদের সিলিংয়ের হুকের সঙ্গে।

মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটে সাতক্ষীরা শহরের খুলনা মোড়ের পাশে মধুমোল্লারডাঙ্গীতে বাবা ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সেলিমের বাড়িতে।

মেধাবী ছাত্রী সুমাইয়া মেহজাবিন স্বর্ণা ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। বৃহস্পতিবার একটি পরীক্ষার জন্য বাবার সঙ্গে তার ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তার আগেই সব শেষ হয়ে গেল। রোববারের সেই পরীক্ষায় বসা হলো না তার।

স্বর্ণার বাবা নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সেলিম জানান, আমি ছিলাম কর্মস্থলে। মঙ্গলবার রাতে পড়া শেষ করে স্বর্ণা তার মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। ভোর ৫টা কিংবা সাড়ে ৫টায় মায়ের কোল থেকে উঠে নিজের ঘরে যায় সে। আজ ছুটির দিন হওয়ায় সবাই বেশিক্ষণ ঘুমন্ত ছিলেন। সকাল ১০টার দিকে কাজের মেয়ে ঝাড়ু দিতে স্বর্ণার ঘরে ঢুকতেই দেখতে পায় তার ঝুলন্ত লাশ। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। নিকটেই সদর হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তার স্বর্ণাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশীরা জানান, স্বর্ণা খুব মেধাবী মেয়ে ছিল। খুব হাসিখুশি সরল সহজ স্বভাবের মেয়েটি থাকতো লেখাপড়া নিয়েই ব্যস্ত। তার লক্ষ্য ছিল ব্যারিস্টার হওয়ার। ওর কথা অনুযায়ী আমরা জানতাম স্বর্ণা একদিন ব্যারিস্টার হবে। কিন্তু এখন সব হারিয়ে গেল।

সাতক্ষীরা সদর থানার এসআই মো. শরিফুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতাল থেকে লাশ গ্রহণ করি। ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ বাবা মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তিনি বলেন, তার গলায় ফাঁসের দাগ ছিল। প্রাথমিকভাবে আমি এটাকে আত্মহত্যা বলে মনে করছি। পরিবারের দাবিও তাই। এ নিয়ে আরও তদন্ত হবে। এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন