এক রাতেই বিলীন মসজিদসহ ১৫ বাড়ি
jugantor
এক রাতেই বিলীন মসজিদসহ ১৫ বাড়ি

  চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

২১ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৪০:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের টানা বর্ষণে তিস্তা নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। হটাৎ তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চিলমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী চর মাদারীপুর এলাকায় এক রাতেই নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে এক মসজিদসহ ১৫টি বাড়ি।

ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে শতাধিক বাড়ি, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্থানীয় কারেন্ট বাজারসহ শত শত একর আবাদি জমি।

সরেজমিন ভাঙ্গন কবলিত চর মাদারীপাড়া এলাকায় চোখে পড়ে নদী তীরবর্তী মানুষের আর্তনাদ। একরাতেই নদীগর্ভে বাড়ি ভিটে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর মাঝে বিরাজ করছে হাহাকার। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে নদী তীরবর্তী মানুষজন।

কোনো রকমে তাদের বাড়ি-ঘর ও গাছপালাসহ বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ সময় ওই এলাকার বাঁশঝাড় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বড় বড় গাছ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে থাকলেও এশার নামাজের পর থেকে দেখা দেয় নদী ভাঙ্গনের তাণ্ডবলীলা। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইলিয়াছ আলী, সিদ্দিক মিয়া, আব্দুস সালাম, মমিনুল ইসলাম, আবুল কাশেম, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রউফ, সাজেদুল ইসলাম, শামিউল ইসলামসহ অন্তত ১৫ জনের বাড়ি-ভিটে নদীগর্ভে বিলীন হয়। ঘুমন্ত মানুষজন কোনোরকমে প্রাণ বাঁচাতে পারলেও পড়নের কাপড়টুকু ছাড়া অন্যকিছু সরাতে পারেনি তারা।

ভাঙ্গন আতঙ্কে থাকা খাদিজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা দেখিয়ে বলেন, এখানেই আমাদের বাড়ি ভিটে ছিল। নদীতে হটাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকের বাড়ি ঘর নদীগর্ভে গেছে, আমরা কোনো রকমে ঘর সরিয়ে নিয়েছি। এখন ভিটে ভেঙ্গে যাচ্ছে। আমরা কোথায় আশ্রয় নিবো? কিভাবে চলবো? কোনো দিশা পাচ্ছি না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ জানান, আমার জীবনে এমন নদী ভাঙ্গনের তাণ্ডব দেখিনি। চর মাদারীপাড়া এলাকায় রাত ৮টার পর থেকেই ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভোররাত থেকেই ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় রয়েছি আমি।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এক রাতেই বিলীন মসজিদসহ ১৫ বাড়ি

 চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৪:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও কয়েকদিনের টানা বর্ষণে তিস্তা নদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। হটাৎ তিস্তা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় চিলমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী চর মাদারীপুর এলাকায় এক রাতেই নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে এক মসজিদসহ ১৫টি বাড়ি।

ভাঙ্গনের মুখে রয়েছে শতাধিক বাড়ি, কমিউনিটি ক্লিনিক, স্থানীয় কারেন্ট বাজারসহ শত শত একর আবাদি জমি।

সরেজমিন ভাঙ্গন কবলিত চর মাদারীপাড়া এলাকায় চোখে পড়ে নদী তীরবর্তী মানুষের আর্তনাদ। একরাতেই নদীগর্ভে বাড়ি ভিটে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাওয়া পরিবারগুলোর মাঝে বিরাজ করছে হাহাকার। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে নদী তীরবর্তী মানুষজন।

কোনো রকমে তাদের বাড়ি-ঘর ও গাছপালাসহ বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ সময় ওই এলাকার বাঁশঝাড় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও বড় বড় গাছ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে দেখা যায়।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার বিকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে থাকলেও এশার নামাজের পর থেকে দেখা দেয় নদী ভাঙ্গনের তাণ্ডবলীলা। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইলিয়াছ আলী, সিদ্দিক মিয়া, আব্দুস সালাম, মমিনুল ইসলাম, আবুল কাশেম, আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুর রউফ, সাজেদুল ইসলাম, শামিউল ইসলামসহ অন্তত ১৫ জনের বাড়ি-ভিটে নদীগর্ভে বিলীন হয়। ঘুমন্ত মানুষজন কোনোরকমে প্রাণ বাঁচাতে পারলেও পড়নের কাপড়টুকু ছাড়া অন্যকিছু সরাতে পারেনি তারা।

ভাঙ্গন আতঙ্কে থাকা খাদিজা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা দেখিয়ে বলেন, এখানেই আমাদের বাড়ি ভিটে ছিল। নদীতে হটাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকের বাড়ি ঘর নদীগর্ভে গেছে, আমরা কোনো রকমে ঘর সরিয়ে নিয়েছি। এখন ভিটে ভেঙ্গে যাচ্ছে। আমরা কোথায় আশ্রয় নিবো? কিভাবে চলবো? কোনো দিশা পাচ্ছি না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ জানান, আমার জীবনে এমন নদী ভাঙ্গনের তাণ্ডব দেখিনি। চর মাদারীপাড়া এলাকায় রাত ৮টার পর থেকেই ব্যাপক ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভোররাত থেকেই ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় রয়েছি আমি।

এ ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন