বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাংচুর
jugantor
বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাংচুর

  শরীয়তপুর প্রতিনিধি  

২১ অক্টোবর ২০২১, ১৯:১৬:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনী সভা চলাকালীন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস-বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে শরীয়তপুরের সদর উপজেলার ডোমসার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সাবেক চেয়ারম্যান ও বিদ্রোহী প্রার্থী মাস্টার মজিবুর রহমান খান বলেন, আমি আমার কর্মীদের নিয়ে আমার অফিসে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করছিলাম। এ সময় নৌকার প্রার্থী মিজান মোহম্মদ খানের সমর্থক ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মতি ছৈয়াল ও বাচ্চু বেপারীর লোকজন আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমিসহ প্রায় ২০-২৫ কর্মী ও সমর্থক আহত হন। তারা আমার বাড়িতেও হামলা চালায়।

শরীয়তপুর জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা মাদবর বলেন, গতকাল রাতে ডোমসার বাজারে এক চেয়ারমান প্রার্থীর নিবাচনী অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে শরীয়তপুর সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম তপাদারের লোকজন এ হামলা চালায়। উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল হাসেম তপাদারের আত্মীয় হওয়ায় ডোমসার ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজান মোহাম্মদ খানকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিয়েছে। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মনোনয়ন না দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।

আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিজান মোহাম্মদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না।

সব অভিযোগ অস্বীকার করে শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম তপাদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে।

পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিজান মোহাম্মদ খানের সমর্থক ও আওয়ামী লীগের বিদোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মজিবুর রহমান খানের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে কেউ আহত হয়নি। কোনো পক্ষই কোনো মামলা করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে হামলা-ভাংচুর

 শরীয়তপুর প্রতিনিধি 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৭:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নির্বাচনী সভা চলাকালীন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিস-বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার রাতে শরীয়তপুরের সদর উপজেলার ডোমসার বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

সাবেক চেয়ারম্যান ও বিদ্রোহী প্রার্থী মাস্টার মজিবুর রহমান খান বলেন, আমি আমার কর্মীদের নিয়ে আমার অফিসে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করছিলাম। এ সময় নৌকার প্রার্থী মিজান মোহম্মদ খানের সমর্থক ডোমসার ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মতি ছৈয়াল ও বাচ্চু বেপারীর লোকজন আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমিসহ প্রায় ২০-২৫ কর্মী ও সমর্থক আহত হন। তারা আমার বাড়িতেও হামলা চালায়। 

শরীয়তপুর জেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক গোলাম মোস্তফা মাদবর বলেন, গতকাল রাতে ডোমসার বাজারে এক চেয়ারমান প্রার্থীর নিবাচনী অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে শরীয়তপুর সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম তপাদারের লোকজন এ হামলা চালায়। উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল হাসেম তপাদারের আত্মীয় হওয়ায় ডোমসার ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজান মোহাম্মদ খানকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দিয়েছে। আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মনোনয়ন না দেওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই।  

আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিজান মোহাম্মদ খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না।

সব অভিযোগ অস্বীকার করে শরীয়তপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাসেম তপাদার বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার মানসম্মান ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি মহল ষড়যন্ত্র করছে। 

পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মিজান মোহাম্মদ খানের সমর্থক ও আওয়ামী লীগের বিদোহী প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মজিবুর রহমান খানের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে কেউ আহত হয়নি। কোনো পক্ষই কোনো মামলা করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন