শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ
jugantor
শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ

  বগুড়া ব্যুরো  

২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৫:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে আবারো রোগীর স্বজনকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ইন্টার্নরা হামলা চালালেও এবার কর্মচারীরা হামলা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মারপিটের শিকার এসএম আবু রায়হান হাসপাতালের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিকালে তিনি সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, হামলাকারী ক্ষমা চাওয়ায় ঘটনাটি মীমাংসা হয়ে গেছে।

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি কারিগরপাড়ার রেজাউলের ছেলে এসএম আবু রায়হান টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া শাখার ইনচার্জ। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে যান। তারা বহির্বিভাগের সার্জারি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আবদুর রাজ্জাকের কক্ষের সামনে অপেক্ষা করছিলেন।

এ সময় হাসপাতালের অফিস সহায়ক সোহরাব হোসেন চিকিৎসার জন্য অপেক্ষমাণ রোগীদের অকথ্যভাষায় গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কি করতে থাকেন। রায়হান এর প্রতিবাদ করলে সোহরাব হোসেন, আয়া মোছা. লিমা ও ৩-৪ জন কর্মচারী একত্র হয়ে তাকে (রায়হান) কিল, ঘুসি ও লাথি দেন। এতে নাক ফেটে গিয়ে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

এ প্রসঙ্গে ছিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, হামলাকারী সোহরাব ক্ষমা চাওয়ায় ঘটনাটি মীমাংসা হয়ে গেছে।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হামলার শিকার এসএম আবু রায়হান জানান, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। তাই হাসপাতালের অফিস সহায়ক সোহরাব হোসেন, আয়া লিমা ও তাদের ৩-৪ জন সহযোগী তাকে বেধড়ক মারপিট ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তার নাক ফেটে রক্ত ঝরে। এ ব্যাপারে তিনি মীমাংসা করেননি; হাসপাতালের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগে করেছেন। সদর থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন।

তবে এ বিষয়ে জানতে চেষ্টা করেও হাসপাতালের অফিস সহায়ক সোহরাব হোসেন, আয়া লিমার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শজিমেক হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধরের অভিযোগ

 বগুড়া ব্যুরো 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে আবারো রোগীর স্বজনকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এর আগে ইন্টার্নরা হামলা চালালেও এবার কর্মচারীরা হামলা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে মারপিটের শিকার এসএম আবু রায়হান হাসপাতালের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিকালে তিনি সদর থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে ছিলিমপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, হামলাকারী ক্ষমা চাওয়ায় ঘটনাটি মীমাংসা হয়ে গেছে।

বগুড়া শহরের ফুলবাড়ি কারিগরপাড়ার রেজাউলের ছেলে এসএম আবু রায়হান টিভিএস অটো বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া শাখার ইনচার্জ। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে তিনি তার অসুস্থ স্ত্রীকে নিয়ে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে যান। তারা বহির্বিভাগের সার্জারি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. আবদুর রাজ্জাকের কক্ষের সামনে অপেক্ষা করছিলেন।

এ সময় হাসপাতালের অফিস সহায়ক সোহরাব হোসেন চিকিৎসার জন্য অপেক্ষমাণ রোগীদের অকথ্যভাষায় গালিগালাজ ও ধাক্কাধাক্কি করতে থাকেন। রায়হান এর প্রতিবাদ করলে সোহরাব হোসেন, আয়া মোছা. লিমা ও ৩-৪ জন কর্মচারী একত্র হয়ে তাকে (রায়হান) কিল, ঘুসি ও লাথি দেন। এতে নাক ফেটে গিয়ে তিনি রক্তাক্ত জখম হন।

এ প্রসঙ্গে ছিলিমপুর মেডিকেল ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রফিকুল ইসলাম জানান, হামলাকারী সোহরাব ক্ষমা চাওয়ায় ঘটনাটি মীমাংসা হয়ে গেছে।

হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হামলার শিকার এসএম আবু রায়হান জানান, চিকিৎসা নিতে আসা রোগীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন। তাই হাসপাতালের অফিস সহায়ক সোহরাব হোসেন, আয়া লিমা ও তাদের ৩-৪ জন সহযোগী তাকে বেধড়ক মারপিট ও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তার নাক ফেটে রক্ত ঝরে। এ ব্যাপারে তিনি মীমাংসা করেননি; হাসপাতালের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগে করেছেন। সদর থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন।

তবে এ বিষয়ে জানতে চেষ্টা করেও হাসপাতালের অফিস সহায়ক সোহরাব হোসেন, আয়া লিমার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন