আরও ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন যশোর বোর্ডের হিসাব সহকারী
jugantor
আরও ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন যশোর বোর্ডের হিসাব সহকারী

  যশোর ব্যুরো  

২১ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫৪:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

দুদকের মামলা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার আরও প্রায় ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের হিসাব সহকারী আবদুস সালাম। এর আগেও তিনি ১৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।

পলাতক থেকে তিনি এই টাকা ফেরত দিচ্ছেন। অনুপস্থিত থাকার কারণে তাকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের হিসাব শাখার উপপরিচালক এমদাদুল হক জানান, পলাতক আবদুস সালাম বৃহস্পতিবার ১৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।

জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর দুদকের মামলা হওয়ার পর শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব ওই রাতেই সরকারি বাসভবন থেকে বের হয়ে চলে যান। মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার তারা কেউ অফিস করেননি। চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যান, সচিবসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের সহকারী পরিচালক মাহফুজ ইকবাল।

মামলা হওয়ার পরও কোনো আসামি আটক না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আসামিরা হলেন- যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব অধ্যাপক এএম এইচ আলী আর রেজা, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম, প্রতারক প্রতিষ্ঠান ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা আবদুল মজিদ আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম বাবু, ও শেখহাটী জামরুলতলা এলাকার শাহীলাল স্টোরের মালিক মৃত সিদ্দিক আলী বিশ্বাসের ছেলে আশরাফুল আলম।

দুর্নীতি দমন কমিশন যশোর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত জানান, আমরা প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছি। দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আত্মসাৎকৃত টাকার শেষ গন্তব্যস্থল খুঁজে বের করা হবে।

আরও ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিলেন যশোর বোর্ডের হিসাব সহকারী

 যশোর ব্যুরো 
২১ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

দুদকের মামলা হওয়ার পর বৃহস্পতিবার আরও প্রায় ১৬ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের হিসাব সহকারী আবদুস সালাম। এর আগেও তিনি ১৫ লাখ ৪২ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।

পলাতক থেকে তিনি এই টাকা ফেরত দিচ্ছেন। অনুপস্থিত থাকার কারণে তাকে ইতোমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের হিসাব শাখার উপপরিচালক এমদাদুল হক জানান, পলাতক আবদুস সালাম বৃহস্পতিবার ১৫ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।

জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর দুদকের মামলা হওয়ার পর শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিব ওই রাতেই সরকারি বাসভবন থেকে বের হয়ে চলে যান। মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার তারা কেউ অফিস করেননি। চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চেয়ারম্যান, সচিবসহ ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের সহকারী পরিচালক মাহফুজ ইকবাল।

মামলা হওয়ার পরও কোনো আসামি আটক না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আসামিরা হলেন- যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব অধ্যাপক এএম এইচ আলী আর রেজা, হিসাব সহকারী আবদুস সালাম, প্রতারক প্রতিষ্ঠান ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা আবদুল মজিদ আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম বাবু, ও শেখহাটী জামরুলতলা এলাকার শাহীলাল স্টোরের মালিক মৃত সিদ্দিক আলী বিশ্বাসের ছেলে আশরাফুল আলম।
    
দুর্নীতি দমন কমিশন যশোর কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুচ্ছায়াদাত জানান, আমরা প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় ৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছি। দুদকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। আত্মসাৎকৃত টাকার শেষ গন্তব্যস্থল খুঁজে বের করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন