পিতার মৃত্যুর ৬ ঘণ্টা পর কাঁদতে কাঁদতে কলেজছাত্রীর মৃত্যু
jugantor
পিতার মৃত্যুর ৬ ঘণ্টা পর কাঁদতে কাঁদতে কলেজছাত্রীর মৃত্যু

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

২১ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৬:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের সাহতা নয়াপাড়া গ্রামে পিতার মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে কাঁদতে কাঁদতে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মেয়েও চলে গেল পরপারে। বৃহস্পতিবার বিকালে বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বারহাট্টা উপজেলা নয়াপাড়া গ্রামের মো. চন্দন খান (৬০) বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে মারা যান। এরপর বাবার মৃত্যুর শোকে কাঁদতে কাঁদতে মিতু সুলতানা (২০) বেলা ২টার দিকে মারা যান। মিতু নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজের সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

মিতু সুলতানার চাচাতো ভাই আকিকুল ইসলাম খান সানি (২৪) বলেন, আমার চাচা চন্দন খান দীর্ঘদিন রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ মৃত্যুতে বাড়ির সবাই ছিল শোকে-বিহ্বল। মিতু তার অন্য দুই বোনের সঙ্গে বসতঘরের একটি খাটে বসে কাঁদছিলেন। সে বোনদের মাঝে সবার ছোট। কিছুতেই তার কান্না থামানো যাচ্ছিল না। দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ সে অজ্ঞান হয় এবং খাট থেকে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বিকাল ৩টার দিকে সে মারা যায়।

বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পল্টন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পিতার মৃত্যুর ৬ ঘণ্টা পর কাঁদতে কাঁদতে কলেজছাত্রীর মৃত্যু

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
২১ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের সাহতা নয়াপাড়া গ্রামে পিতার মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে কাঁদতে কাঁদতে ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মেয়েও চলে গেল পরপারে। বৃহস্পতিবার বিকালে বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানান, বারহাট্টা উপজেলা নয়াপাড়া গ্রামের মো. চন্দন খান (৬০) বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে মারা যান। এরপর বাবার মৃত্যুর শোকে কাঁদতে কাঁদতে মিতু সুলতানা (২০) বেলা ২টার দিকে মারা যান। মিতু নেত্রকোনা সরকারি মহিলা কলেজের সম্মান শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

মিতু সুলতানার চাচাতো ভাই আকিকুল ইসলাম খান সানি (২৪) বলেন, আমার চাচা চন্দন খান দীর্ঘদিন রোগে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এ মৃত্যুতে বাড়ির সবাই ছিল শোকে-বিহ্বল। মিতু তার অন্য দুই বোনের সঙ্গে বসতঘরের একটি খাটে বসে কাঁদছিলেন। সে বোনদের মাঝে সবার ছোট। কিছুতেই তার কান্না থামানো যাচ্ছিল না। দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ সে অজ্ঞান হয় এবং খাট থেকে পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক তাকে নেত্রকোনা জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে বিকাল ৩টার দিকে সে মারা যায়।

বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পল্টন সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন