১৪ শিক্ষার্থীর চুল কর্তন: শিক্ষক ফারহানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার
jugantor
১৪ শিক্ষার্থীর চুল কর্তন: শিক্ষক ফারহানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার

  শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ অক্টোবর ২০২১, ০০:১৫:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিষয়ে শুক্রবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ গঠিত তদন্ত কমিটি অবশেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফ ও তদন্ত কমিটির প্রধান ও রবির রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে বারবার সময় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি সর্বশেষ বেঁধে দেওয়া ২১ অক্টোবর দুপুরের মধ্যে তার বক্তব্য পেশ করতে আসেননি। ফলে তাকে আর সময় না দিয়ে, নির্যাতিত ছাত্র, প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

তারা আরও বলেন, শুক্রবার বিকালে রবির ঢাকা অফিসে পূর্ণাঙ্গ সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এ প্রতিবেদনের আলোকে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ওই বিভাগের প্রথম বর্ষের ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কাচি দিয়ে কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। চুল কেটে দেওয়ার এ অপমান সইতে না পেরে এক ছাত্র ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ও শিক্ষিকা ফারহানার অপসারণ দাবিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের মুখে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

এরপর তদন্ত কমিটির কাছে নির্যাতিত ছাত্র, প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাক্ষ্য দিলেও শিক্ষিকা ফারহানা সাক্ষ্য না দিয়ে ২ সপ্তাহের সময় প্রার্থনা করেন। তদন্ত কমিটি প্রথমে ৩ দিন, পরে আরও ৬ দিন ও সব শেষে ১৪ দিন সময় দেন। এ সময়ের শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এ দিনও তিনি সাক্ষ্য না দিয়ে আবারো সময় চাইলে তদন্ত কমিটি তা নাকচ করে দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এ বিষয়ে জানতে বারবার শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের মোবাইল ফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

১৪ শিক্ষার্থীর চুল কর্তন: শিক্ষক ফারহানার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত শুক্রবার

 শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:১৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের (রবি) ১৪ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিষয়ে শুক্রবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

এ গঠিত তদন্ত কমিটি অবশেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ভিসি ও ট্রেজারার আব্দুল লতিফ ও তদন্ত কমিটির প্রধান ও রবির রবীন্দ্র অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান লায়লা ফেরদৌস হিমেল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে বারবার সময় দেওয়া সত্ত্বেও তিনি সর্বশেষ বেঁধে দেওয়া ২১ অক্টোবর দুপুরের মধ্যে তার বক্তব্য পেশ করতে আসেননি। ফলে তাকে আর সময় না দিয়ে, নির্যাতিত ছাত্র, প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দেওয়া বক্তব্যের ভিত্তিতে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে।

তারা আরও বলেন, শুক্রবার বিকালে রবির ঢাকা অফিসে পূর্ণাঙ্গ সিন্ডিকেট মিটিংয়ে এ প্রতিবেদনের আলোকে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও বাংলাদেশ অধ্যয়ন বিভাগের শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিন গত ২৬ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার হলে প্রবেশের সময় ওই বিভাগের প্রথম বর্ষের ১৪ ছাত্রের মাথার চুল কাচি দিয়ে কেটে দেন বলে অভিযোগ ওঠে। চুল কেটে দেওয়ার এ অপমান সইতে না পেরে এক ছাত্র ঘুমের ওষুধ সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ও শিক্ষিকা ফারহানার অপসারণ দাবিতে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি শুরু করেন। শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনের মুখে শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনকে সাময়িক বরখাস্ত করে ঘটনার তদন্তে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে।

এরপর তদন্ত কমিটির কাছে নির্যাতিত ছাত্র, প্রত্যক্ষদর্শী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা সাক্ষ্য দিলেও শিক্ষিকা ফারহানা সাক্ষ্য না দিয়ে ২ সপ্তাহের সময় প্রার্থনা করেন। তদন্ত কমিটি প্রথমে ৩ দিন, পরে আরও ৬ দিন ও সব শেষে ১৪ দিন সময় দেন। এ সময়ের শেষ দিন ছিল বৃহস্পতিবার। এ দিনও তিনি সাক্ষ্য না দিয়ে আবারো সময় চাইলে তদন্ত কমিটি তা নাকচ করে দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এ বিষয়ে জানতে বারবার শিক্ষিকা ফারহানা ইয়াসমিনের মোবাইল ফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন