‘তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দুর্দশা আর থাকবে না’
jugantor
‘তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দুর্দশা আর থাকবে না’

  কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি  

২২ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৫০:৫১  |  অনলাইন সংস্করণ

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

বন্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সরকার তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। এই প্রকল্পের ডিজাইন ও প্রজেক্ট প্রোফাইল শেষ হয়েছে। এটি অনেক বড় প্রজেক্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন।

তিনি বলেন, কবে নাগাদ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তিস্তা পারের মানুষের আর দুর্দশা থাকবে না।

প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের গতিয়াশাম এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় কুড়িগ্রামসহ চারটি জেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বন্যার্ত ও ভাঙন কবলিতদের দুর্দশা লাঘবে কাজ করে যাচ্ছে। চারটি জেলার প্রতিটিতে ৫০ মে.টন চাল, ৫ লাখ টাকা, চার হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার,পশু খাদ্যের জন্য আরও ২ লাখ টাকা এবং একশ বান্ডিল করে টিন বরাদ্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যার্ত ও নদী ভাঙনের শিকার প্রতিটি পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে।

পরে সরিষাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেলসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

‘তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে দুর্দশা আর থাকবে না’

 কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 
২২ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
ছবি-যুগান্তর

বন্যা নিয়ন্ত্রণে সরকার তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। 

তিনি বলেন, তিস্তা নদীর ভাঙন স্থায়ীভাবে প্রতিরোধ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সরকার তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। এই প্রকল্পের ডিজাইন ও প্রজেক্ট প্রোফাইল শেষ হয়েছে। এটি অনেক বড় প্রজেক্ট। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা চালাচ্ছেন। 

তিনি বলেন, কবে নাগাদ এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে তা বলা যাচ্ছে না। তবে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তিস্তা পারের মানুষের আর দুর্দশা থাকবে না।

প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাটের গতিয়াশাম এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত হওয়ায় কুড়িগ্রামসহ চারটি জেলায় আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বন্যার্ত ও ভাঙন কবলিতদের দুর্দশা লাঘবে কাজ করে যাচ্ছে। চারটি জেলার প্রতিটিতে ৫০ মে.টন চাল, ৫ লাখ টাকা, চার হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার,পশু খাদ্যের জন্য আরও ২ লাখ টাকা এবং একশ বান্ডিল করে টিন বরাদ্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বন্যার্ত ও নদী ভাঙনের শিকার প্রতিটি পরিবারের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। 

পরে সরিষাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেলসহ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন