মুহিবুল্লাহ হত্যা: ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্য গ্রেফতার
jugantor
মুহিবুল্লাহ হত্যা: ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্য গ্রেফতার

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৮:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

মুহিবুল্লাহ হত্যা: ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্য গ্রেফতার

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা ও আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) এর চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক যুগান্তরকে বলেন, মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছে এমন একজনকে আমরা গ্রেফতার করেছি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি।

এ বিষয়ে দুপুরে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বররাত সাড়ে ৮টার দিকে ক্যাম্পের ভেতরে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর নিহত মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ অজ্ঞাত নামা ১৫-থেকে ২০ জনের অজ্ঞাত আসামি করে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজন সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ইলিয়াস নামের একজন রোহিঙ্গা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মুহিবুল্লাহ হত্যা: ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্য গ্রেফতার

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মুহিবুল্লাহ হত্যা: ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্য গ্রেফতার
ফাইল ছবি

রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা ও আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) এর চেয়ারম্যান মুহিবুল্লাহ হত্যার ঘটনায় ‘কিলিং স্কোয়াডের’ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব থাকা ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের অধিনায়ক এসপি নাইমুল হক যুগান্তরকে বলেন, মুহিবুল্লাহ হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নিয়েছে এমন একজনকে আমরা গ্রেফতার করেছি। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়েছি। 

এ বিষয়ে দুপুরে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানানো হবে।

গত ২৯ সেপ্টেম্বররাত সাড়ে ৮টার দিকে  ক্যাম্পের ভেতরে রোহিঙ্গাদের শীর্ষ নেতা  মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর নিহত মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ অজ্ঞাত নামা ১৫-থেকে ২০ জনের অজ্ঞাত আসামি করে উখিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজন সন্দেহভাজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের মধ্যে ইলিয়াস নামের একজন রোহিঙ্গা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন