প্রেম করে বিয়ের পর অন্যের স্ত্রী নিয়ে পালাল যুবলীগ নেতা!
jugantor
প্রেম করে বিয়ের পর অন্যের স্ত্রী নিয়ে পালাল যুবলীগ নেতা!

  ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৫৩:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুরের সখিপুরে প্রেম করে বিয়ে করা স্ত্রীকে ফেলে অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছেন রাসেল আহমেদ নামে এক যুবলীগ নেতা।

গত রোববার ঘটনাটি ঘটলেও বৃহস্পতিবার এলাকাজুড়ে বিষয়টি জানাজানি হয়। রাসেল আহমেদ চরভাগা ইউনিয়নের গৌরাঙ্গবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং চরভাগা ইউনিয়ন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। তিনি হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের নিম্নমান সহকারী (করণিক)।

পালিয়ে যাওয়া ওই গৃহবধূ সখিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার ৪ বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে এবং তিনি ওই কলেজের ছাত্রী।

এ ঘটনায় রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূর স্বামী। গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, ঘরে রক্ষিত নগদ টাকাসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে রাসেল ও তার স্ত্রী পালিয়ে গেছে।

এদিকে স্বামীর ঘরে শিশুসন্তান রেখে নিজের মেয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর হার্টঅ্যাটাক করে মারা গেছেন ওই গৃহবধূর মা। তারও তিন শিশু বাচ্চা রয়েছে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে বিয়ে হয় (পারিবারিকভাবে) ওই গৃহবধূর। বর্তমানে তাদের ঘরে একটি ৪ বছর বয়সী পুত্রসন্তান রয়েছে এবং পাশাপাশি পড়াশোনা করেন হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজে। সেখানে পড়াশুনাকালে কলেজের নিম্নমান সহকারী রাসেল আহমেদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর জেরে গত ১৭ অক্টোবর সকালের দিকে রাসেল আহমেদ ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ওই গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, যাওয়ার সময় আমার স্ত্রী ঘর থেকে নগদ ১ লাখ টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে খুঁজে পায়নি।

ওই গৃহবধূর স্বামী বলেন, রাসেল আমার স্ত্রী, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে। এখন আমার ১টি সন্তান তার মায়ের পথচেয়ে চোখের পানি ফেলছে। বিষয়টি সমাধানে আমি আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।

সখিপুর থানা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল খালেক খালাসী বলেন, রাসেলের ঘটনাটি তদন্ত করে সংগঠনের নীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের প্রিন্সিপাল আবুল বাশার আল আজাদ বলেন, রাসেল আহমেদকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে তার স্ত্রী ও মা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমিও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। একদিন পর জানতে পারি আমার কলেজের ছাত্রীকে নিয়ে সে পালিয়েছে। পূজার জন্য কলেজ বন্ধ। কলেজ খুললে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাসেল আহমেদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সখিপুর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। আদালতে মামলা হলে আমরা আরও পরে জানতে পারব।

প্রেম করে বিয়ের পর অন্যের স্ত্রী নিয়ে পালাল যুবলীগ নেতা!

 ভেদরগঞ্জ (শরীয়তপুর) প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শরীয়তপুরের সখিপুরে প্রেম করে বিয়ে করা স্ত্রীকে ফেলে অন্যের স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়েছেন রাসেল আহমেদ নামে এক যুবলীগ নেতা। 

গত রোববার ঘটনাটি ঘটলেও বৃহস্পতিবার এলাকাজুড়ে বিষয়টি জানাজানি হয়। রাসেল আহমেদ চরভাগা ইউনিয়নের গৌরাঙ্গবাজার এলাকার বাসিন্দা এবং চরভাগা ইউনিয়ন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। তিনি হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের নিম্নমান সহকারী (করণিক)। 

পালিয়ে যাওয়া ওই গৃহবধূ সখিপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার ৪ বছর বয়সী একটি পুত্রসন্তান রয়েছে এবং তিনি ওই কলেজের ছাত্রী।

এ ঘটনায় রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন ওই গৃহবধূর স্বামী। গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, ঘরে রক্ষিত নগদ টাকাসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে রাসেল ও তার স্ত্রী পালিয়ে গেছে।

এদিকে স্বামীর ঘরে শিশুসন্তান রেখে নিজের মেয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর হার্টঅ্যাটাক করে মারা গেছেন ওই গৃহবধূর মা।  তারও তিন শিশু বাচ্চা রয়েছে।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে বিয়ে হয় (পারিবারিকভাবে) ওই গৃহবধূর। বর্তমানে তাদের ঘরে একটি ৪ বছর বয়সী পুত্রসন্তান রয়েছে এবং পাশাপাশি পড়াশোনা করেন হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজে। সেখানে পড়াশুনাকালে কলেজের নিম্নমান সহকারী রাসেল আহমেদের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এর জেরে গত ১৭ অক্টোবর সকালের দিকে রাসেল আহমেদ ওই গৃহবধূকে নিয়ে পালিয়ে যায়।

ওই গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, যাওয়ার সময় আমার স্ত্রী ঘর থেকে নগদ ১ লাখ  টাকা ও পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে গেছে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে খুঁজে পায়নি।

ওই গৃহবধূর স্বামী বলেন, রাসেল আমার স্ত্রী, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়েছে। এখন আমার ১টি সন্তান তার মায়ের পথচেয়ে চোখের পানি ফেলছে। বিষয়টি সমাধানে আমি আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।

সখিপুর থানা যুবলীগের আহবায়ক আব্দুল খালেক খালাসী বলেন, রাসেলের ঘটনাটি তদন্ত করে সংগঠনের নীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাজী শরীয়তউল্লাহ কলেজের প্রিন্সিপাল আবুল বাশার আল আজাদ বলেন, রাসেল আহমেদকে কোথাও খুঁজে না পেয়ে তার স্ত্রী ও মা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। আমিও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। একদিন পর জানতে পারি আমার কলেজের ছাত্রীকে নিয়ে সে পালিয়েছে। পূজার জন্য কলেজ বন্ধ। কলেজ খুললে গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাসেল আহমেদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সখিপুর থানার ওসি মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি। আদালতে মামলা হলে আমরা আরও পরে জানতে পারব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন