দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষীর ওপর হামলা
jugantor
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষীর ওপর হামলা

  পিরোজপুর প্রতিনিধি  

২৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:২১:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষী মো. জলিল শেখের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতে ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বন্দরবাজারে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ হামলাকারী জাহিদুল ইসলামকে আটক করেছে। আহত অবস্থায় সাক্ষী জলিল শেখকে পুলিশ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

সাক্ষী জলিল শেখ (৭২) সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিথলিয়া গ্রামের মৃত মো. মাজেদ শেখের ছেলে। আটক জাহিদুল ইসলাম হাওলাদার (৩৫) খুলনা জেলার রামনগর এলাকার সিদ্দিক হাওলাদারের পুত্র।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জলিল শেখ সাংবাদিকদের জানান, পাড়েরহাট বন্দরবাজারে তিনি ইলেক্ট্রনিক্সের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ মেরামত করেন। কয়েক দিন আগে স্থানীয় একজন অধিবাসী একটি আইপিএস তার কাছে মেরামত করার জন্য দিয়ে যান। কিন্তু যে ব্যক্তি মেরামতের জন্য দিয়ে যান তিনি এটা না নিতে এসে অপরিচিত একজন এসে সেই আইপিএসটি নিতে চাইলে জলিল শেখ সেটা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ এগিয়ে এসে হামলাকারীকে আটক করে এবং তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তন্ময় মজুমদার জানান, আহত ব্যক্তির পিঠের দিকে আঘাতের চিহ্ন আছে, তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, সাক্ষী জলিল শেখের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এক ব্যক্তির সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জাহিদুল নামের সেই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, যুদ্ধাপরাধী মামলার সাক্ষী জলিল শেখের নিরাপত্তার জন্য থাকা পুলিশই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে এবং হামলাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষীর ওপর হামলা

 পিরোজপুর প্রতিনিধি 
২৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:২১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে মামলার সাক্ষী মো. জলিল শেখের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। 

শুক্রবার রাতে ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বন্দরবাজারে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ হামলাকারী জাহিদুল ইসলামকে আটক করেছে। আহত অবস্থায় সাক্ষী জলিল শেখকে পুলিশ উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেছে। 

সাক্ষী জলিল শেখ (৭২) সদর উপজেলার শংকরপাশা ইউনিয়নের চিথলিয়া গ্রামের মৃত মো. মাজেদ শেখের ছেলে। আটক জাহিদুল ইসলাম হাওলাদার (৩৫) খুলনা জেলার রামনগর এলাকার সিদ্দিক হাওলাদারের পুত্র। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জলিল শেখ সাংবাদিকদের জানান, পাড়েরহাট বন্দরবাজারে তিনি ইলেক্ট্রনিক্সের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ মেরামত করেন। কয়েক দিন আগে স্থানীয় একজন অধিবাসী একটি আইপিএস তার কাছে মেরামত করার জন্য দিয়ে যান। কিন্তু যে ব্যক্তি মেরামতের জন্য দিয়ে যান তিনি এটা না নিতে এসে অপরিচিত একজন এসে সেই আইপিএসটি নিতে চাইলে জলিল শেখ সেটা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। 

এ নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি তার ওপর হামলা চালায়। পরে স্থানীয়রা ও পুলিশ এগিয়ে এসে হামলাকারীকে আটক করে এবং তাকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।

জেলা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তন্ময় মজুমদার জানান, আহত ব্যক্তির পিঠের দিকে আঘাতের চিহ্ন আছে, তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ইন্দুরকানী থানার ওসি মো. হুমায়ুন কবির জানান, সাক্ষী জলিল শেখের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে এক ব্যক্তির সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত জাহিদুল নামের সেই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। 

পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, যুদ্ধাপরাধী মামলার সাক্ষী জলিল শেখের নিরাপত্তার জন্য থাকা পুলিশই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে এবং হামলাকারী ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন