চকলেট খেয়ে ৯ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হাসপাতালে
jugantor
চকলেট খেয়ে ৯ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হাসপাতালে

  সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৬:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

চকলেট খেয়ে ৯ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হাসপাতালে

নিম্নমানের চকলেট খেয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরের একটি মাদ্রাসার ৯ ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা শহরের কুন্দল এলাকায় ওই মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসাধীন শিশুরা হলো— হাসপাতালসংলগ্ন শহরের কুন্দল এলাকার পূর্বপাড়ার আলিফ (৭), সাফি (৬), সামিয়া (৮), মৌমিতা (১০), আয়ান (৭), নিমু (৮), ইসমাইল (৭), আফসান (৯) ও রুহি (৬)।

এ বিষয়ে ওই শিশুদের অভিভাবকরা জানান, কুন্দল পূর্বপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শনিবার সকালে অধ্যয়নরত প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শিশুকে এক প্যাকেট করে নিম্নমানের চকলেট বিতরণ করেন। শিশুরা দুপুরে বাড়িতে এসে অনেকে এসব চকলেট খায়।
সন্ধ্যার দিকে শিশুদের বমি ও ডায়রিয়া দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করান অভিভাবকরা।

হাসপাতালে ফজলুর রহমান ও নাসরিন নামে দুজন অভিভাবক জানান, শফিকুল ইসলাম নামে ওই স্কুলশিক্ষক প্রায়ই শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। শিশুদের মাদ্রাসামুখী করতে তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি এসব খাবারের প্যাকেট বিতরণ করেছেন। প্যাকেটের গায়ে মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের শেষ দিন ছিল ওই দিনই।

খাবার বিতরণকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, প্যাকেটের মোড়কে মেয়াদোত্তীর্ণ বিষয়টি নজরে আসেনি। তা ছাড়া শনিবার পর্যন্ত মেয়াদ ছিল।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, বমি ও ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের শিশু ও ডায়রিয়া বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানান তিনি।

চকলেট খেয়ে ৯ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হাসপাতালে

 সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চকলেট খেয়ে ৯ মাদ্রাসাশিক্ষার্থী হাসপাতালে
ছবি: সংগৃহীত

নিম্নমানের চকলেট খেয়ে নীলফামারীর সৈয়দপুরের একটি মাদ্রাসার ৯ ছাত্র অসুস্থ হয়ে পড়েছে।

শনিবার রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলা শহরের কুন্দল এলাকায় ওই মাদ্রাসাশিক্ষার্থীরা একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাদের সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিকিৎসাধীন শিশুরা হলো— হাসপাতালসংলগ্ন শহরের কুন্দল এলাকার পূর্বপাড়ার আলিফ (৭), সাফি (৬), সামিয়া (৮), মৌমিতা (১০), আয়ান (৭), নিমু (৮), ইসমাইল (৭), আফসান (৯) ও রুহি (৬)।

এ বিষয়ে ওই শিশুদের অভিভাবকরা জানান, কুন্দল পূর্বপাড়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শনিবার সকালে অধ্যয়নরত প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শিশুকে এক প্যাকেট করে নিম্নমানের চকলেট বিতরণ করেন। শিশুরা দুপুরে বাড়িতে এসে অনেকে এসব চকলেট খায়।
সন্ধ্যার দিকে শিশুদের বমি ও ডায়রিয়া দেখা দিলে হাসপাতালে ভর্তি করান অভিভাবকরা।

হাসপাতালে ফজলুর রহমান ও নাসরিন নামে দুজন অভিভাবক জানান, শফিকুল ইসলাম নামে ওই স্কুলশিক্ষক প্রায়ই শিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ করেন। শিশুদের মাদ্রাসামুখী করতে তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। তিনি এসব খাবারের প্যাকেট বিতরণ করেছেন। প্যাকেটের গায়ে মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখের শেষ দিন ছিল ওই দিনই।

খাবার বিতরণকারী শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, প্যাকেটের মোড়কে মেয়াদোত্তীর্ণ বিষয়টি নজরে আসেনি। তা ছাড়া শনিবার পর্যন্ত মেয়াদ ছিল।

সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, বমি ও ডায়রিয়ার উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের শিশু ও ডায়রিয়া বিভাগে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানান তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন