নোয়াখালীতে হামলা: গ্রেফতার ৩ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
jugantor
নোয়াখালীতে হামলা: গ্রেফতার ৩ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ১৪:০৩:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বেগমগঞ্জ থানা

নোয়াখালীতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার আরও তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার রাতে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবনিতা গুহ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আসামিরা হলো— রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন রাজিব ও ইব্রাহিম খলিল রাজিব।

এর আগে বৃহস্পতিবার আবদুর রহিম নামে আরেক আসামি আদালতে জবানবন্দি দেয়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ওই হামলা ও ভাঙচুরের ভিডিও ফুটেজ দেখে আরও তিনজনকে শনাক্ত করে শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

এর আগে গত বুধবার রাতে চৌমুহনীতে মন্দির-মণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে উপজেলার করিমপুর এলাকা থেকে আবদুর রহিম ওরফে সুজনকে (১৯) গ্রেফতার করে পুলিশ। তার বাড়ি করিমপুর এলাকায়।

গত ১৫ অক্টোবর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী মন্দির ভাঙচুর ও দুই সনাতন ধর্মীয় ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং ১৫০-২০০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেছেন ইসকন মন্দিরের ভক্ত রসদিয়া দাস ওরফে দেবনাথ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তারা শান্তিপূর্ণভাবে ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় তাদের পূজা অর্চনা করছিলেন। এমন সময় দুই শতাধিক লোক বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের উত্তর পাশের ইসকন মন্দিরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এ সময় পুরোহিতসহ মন্দিরভক্তরা এদিক-সেদিক ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে যতন সাহাকে (৪২) পিটিয়ে হত্যা করে এবং আতঙ্কে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রান্ত সাহা মণ্ডপের পাশে পুকুরে পড়ে ডুবে যান। পর দিন ১৬ অক্টোবর তার লাশ ভেসে উঠলে পুলিশ উদ্ধার করে।

পুলিশ এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৪৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে। এর মধ্যে ১২-১৪ বছরের শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।

নোয়াখালীতে হামলা: গ্রেফতার ৩ আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ০২:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
বেগমগঞ্জ থানা
ফাইল ছবি

নোয়াখালীতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতার আরও তিন আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

শনিবার রাতে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নবনিতা গুহ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামিদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

আসামিরা হলো— রিপন আহাম্মেদ মাহীর, আরাফাত হোসেন রাজিব ও ইব্রাহিম খলিল রাজিব।

এর আগে বৃহস্পতিবার আবদুর রহিম নামে আরেক আসামি আদালতে জবানবন্দি দেয়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ওই হামলা ও ভাঙচুরের ভিডিও ফুটেজ দেখে আরও তিনজনকে শনাক্ত করে শনিবার গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের আদালতে তোলা হলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তারা।

এর আগে গত বুধবার রাতে চৌমুহনীতে মন্দির-মণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে উপজেলার করিমপুর এলাকা থেকে আবদুর রহিম ওরফে সুজনকে (১৯) গ্রেফতার করে পুলিশ।  তার বাড়ি করিমপুর এলাকায়।

গত ১৫ অক্টোবর নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের চৌমুহনী মন্দির ভাঙচুর ও দুই সনাতন ধর্মীয় ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ এবং ১৫০-২০০ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেছেন ইসকন মন্দিরের ভক্ত রসদিয়া দাস ওরফে দেবনাথ।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তারা শান্তিপূর্ণভাবে ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় তাদের পূজা অর্চনা করছিলেন। এমন সময় দুই শতাধিক লোক বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজের উত্তর পাশের ইসকন মন্দিরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা চালায়। এ সময় পুরোহিতসহ মন্দিরভক্তরা এদিক-সেদিক ছুটে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে যতন সাহাকে (৪২) পিটিয়ে হত্যা করে এবং আতঙ্কে পালিয়ে যাওয়ার সময় প্রান্ত সাহা মণ্ডপের পাশে পুকুরে পড়ে ডুবে যান। পর দিন ১৬ অক্টোবর  তার লাশ ভেসে উঠলে পুলিশ উদ্ধার করে।

পুলিশ এ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৪৭ ব্যক্তিকে আটক করেছে। এর মধ্যে ১২-১৪ বছরের শিশুও রয়েছে বলে জানা গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন