স্বাভাবিক জীবনে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আপেল
jugantor
স্বাভাবিক জীবনে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আপেল

  রংপুর ব্যুরো  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৬:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

অন্ধকার ও ভুলপথ পরিহার করে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন বলে দাবি করেছেন রংপুরের এক সময়ের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী আরিফুল ইসলাম আপেল ওরফে পিচ্চি আপেল। তার এই স্বাভাবিক জীবন ধরে রাখতে এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

রোববার দুপুরে রংপুর মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের নাজির দিগর গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ আহবান জানান পিচ্চি আপেল।

লিখিত বক্তব্যে আপেল বলেন, ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অসৎ সঙ্গ ও পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি বেশ কয়েকটি মামলায় জড়িয়ে পড়ি। ওই সময় আমি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এবং আমাকে সৎ উপদেশ দেওয়ার মতো কেউ না থাকার সুযোগে অনেকেই তাদের স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে আমাকে ব্যবহার করেছে। এতে আমার নামের সঙ্গে ‘সন্ত্রাসী’ তকমা জুড়ে যায় এবং আমি আপেল থেকে হয়ে যাই ‘পিচ্চি আপেল’। সেই সময় আমি বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতেও যাই।

আপেল বলেন, পরবর্তীতে আমি নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হই এবং ভুল বুঝতে পারি। আমার পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে এবং সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১৪ সাল থেকেই আমি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করি। বর্তমানে আমি স্থানীয় এক ভিটি বালু ব্যবসায়ীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছি। আমার মা ও স্ত্রীসহ একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

তিনি দাবি করে বলেন, ২০১৪ সালে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পর অদ্যাবধি দীর্ঘ ৭ বছরে আমি কোনো আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হইনি এবং এ সময়ের মধ্যে রংপুরের কোনো থানায় আমার নামে মামলা তো দূরের কথা একটি জিডিও হয়নি। এছাড়া সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে দূরে থাকতে আমার পূর্বের মুন্সিপাড়ার বাড়িটি বিক্রি করে বর্তমান ঠিকানায় চলে আসি।

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আমার নামে দায়েরকৃত ১১টি মামলায় আমি বেকসুর খালাস পেয়েছি, যে মামলাগুলোর একটিতেও চার্জশিটে আমার নাম ছিল না। বর্তমানে আমার নামে ৪টি মামলা চলমান রয়েছে এবং আদালতের নিয়ম মেনে আমি মামলাগুলোতে নিয়মিত হাজিরা দিয়ে আসছি। আমার বিশ্বাস, চলমান মামলাগুলোতেও আমি বেকসুর খালাস পাব। অথবা আদালত যদি আমাকে কোনো শাস্তি প্রদান করে তবে আমি তা মাথা পেতে নেব। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে তার সম্পর্কে সামাজিকভাবে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পিচ্চি আপেলের মা, স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাভাবিক জীবনে শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আপেল

 রংপুর ব্যুরো 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

অন্ধকার ও ভুলপথ পরিহার করে সুস্থ এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন বলে দাবি করেছেন রংপুরের এক সময়ের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী আরিফুল ইসলাম আপেল ওরফে পিচ্চি আপেল। তার এই স্বাভাবিক জীবন ধরে রাখতে এজন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

রোববার দুপুরে রংপুর মহানগরীর ৩১নং ওয়ার্ডের নাজির দিগর গ্রামের নিজ বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে এ আহবান জানান পিচ্চি আপেল।  

লিখিত বক্তব্যে আপেল বলেন, ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত অসৎ সঙ্গ ও পরিস্থিতির শিকার হয়ে আমি বেশ কয়েকটি মামলায় জড়িয়ে পড়ি। ওই সময় আমি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় এবং আমাকে সৎ উপদেশ দেওয়ার মতো কেউ না থাকার সুযোগে অনেকেই তাদের স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হিসেবে আমাকে ব্যবহার করেছে। এতে আমার নামের সঙ্গে ‘সন্ত্রাসী’ তকমা জুড়ে যায় এবং আমি আপেল থেকে হয়ে যাই ‘পিচ্চি আপেল’। সেই সময় আমি বেশ কয়েকবার গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতেও যাই।  

আপেল বলেন, পরবর্তীতে আমি নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হই এবং ভুল বুঝতে পারি। আমার পরিবারের সদস্যদের পরামর্শে এবং সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ২০১৪ সাল থেকেই আমি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করি। বর্তমানে আমি স্থানীয় এক ভিটি বালু ব্যবসায়ীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছি। আমার মা ও স্ত্রীসহ একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

তিনি দাবি করে বলেন, ২০১৪ সালে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পর অদ্যাবধি দীর্ঘ ৭ বছরে আমি কোনো আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হইনি এবং এ সময়ের মধ্যে রংপুরের কোনো থানায় আমার নামে মামলা তো দূরের কথা একটি জিডিও হয়নি। এছাড়া সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে দূরে থাকতে আমার পূর্বের মুন্সিপাড়ার বাড়িটি বিক্রি করে বর্তমান ঠিকানায় চলে আসি। 

প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, আমার নামে দায়েরকৃত ১১টি মামলায় আমি বেকসুর খালাস পেয়েছি, যে মামলাগুলোর একটিতেও চার্জশিটে আমার নাম ছিল না। বর্তমানে আমার নামে ৪টি মামলা চলমান রয়েছে এবং আদালতের নিয়ম মেনে আমি মামলাগুলোতে নিয়মিত হাজিরা দিয়ে আসছি। আমার বিশ্বাস, চলমান মামলাগুলোতেও আমি বেকসুর খালাস পাব। অথবা আদালত যদি আমাকে কোনো শাস্তি প্রদান করে তবে আমি তা মাথা পেতে নেব। তিনি সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে তার সম্পর্কে সামাজিকভাবে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ও আইনশৃঙ্খলা  বাহিনীসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পিচ্চি আপেলের মা, স্ত্রী ও একমাত্র কন্যাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন