ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিখোঁজ
jugantor
ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিখোঁজ

  পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:২২:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল রেলসেতুতে ছবি তুলতে গিয়ে নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন যুবক অলি মিয়া (১৮)। গত ২৪ ঘণ্টায় তার সন্ধান মেলেনি।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ঘোড়াশাল নতুন রেলসেতুর মাঝামাঝি অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটার পর নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ, পলাশ ফায়ার সার্ভিস ও টঙ্গীর ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ যুবক নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বড়পাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি নরসিংদীর মাধবদীতে চাচার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

নিখোঁজ অলি মিয়ার বন্ধু শাহজাহান জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে অলিকে নিয়ে ঘোড়াশাল রেলস্টেশন এলাকায় ঘুরতে আসি। এরপর ছবি তুলতে আমি ও অলি রেলসেতুর মাঝখানে যাই। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী আন্তঃনগর উপকূল ট্রেন সেতুতে আসার পর আমি দৌড়ে একপাশে চলে আসি। কিন্তু সে আসার চেষ্টা করেও নিরাপদ স্থানে আসতে পারেনি। ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়।

এ ব্যাপারে রোববার সন্ধ্যায় পলাশ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. হাদিউর ইসলাম শুভ জানান, আমরা পলাশ ফায়ার সার্ভিস ও টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত নিখোঁজ যুবক অলিকে খুঁজে পেতে শীতলক্ষ্যা নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। কিন্তু প্রবল স্রোতের কারণে সেদিন উদ্ধার কাজ ব্যাহত হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বন্ধ রাখা হয়েছিল। রোববার সকাল ৯টা থেকে ফের উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নিখোঁজ অলিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আজ উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলে পুনরায় সোমবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক নিখোঁজ

 পলাশ (নরসিংদী) প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল রেলসেতুতে ছবি তুলতে গিয়ে নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছেন যুবক অলি মিয়া (১৮)। গত ২৪ ঘণ্টায় তার সন্ধান মেলেনি।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় ঘোড়াশাল নতুন রেলসেতুর মাঝামাঝি অংশে এ দুর্ঘটনা ঘটার পর নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ, পলাশ ফায়ার সার্ভিস ও টঙ্গীর ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করে। কিন্তু তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

নিখোঁজ যুবক নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বড়পাড়া গ্রামের মো. বজলুর রহমানের ছেলে। তিনি নরসিংদীর মাধবদীতে চাচার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।

নিখোঁজ অলি মিয়ার বন্ধু শাহজাহান জানান, বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে অলিকে নিয়ে ঘোড়াশাল রেলস্টেশন এলাকায় ঘুরতে আসি। এরপর ছবি তুলতে আমি ও অলি রেলসেতুর মাঝখানে যাই। এসময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী আন্তঃনগর উপকূল ট্রেন সেতুতে আসার পর আমি দৌড়ে একপাশে চলে আসি। কিন্তু সে আসার চেষ্টা করেও নিরাপদ স্থানে আসতে পারেনি। ট্রেনের ধাক্কায় শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়।

এ ব্যাপারে রোববার সন্ধ্যায় পলাশ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. হাদিউর ইসলাম শুভ জানান, আমরা পলাশ ফায়ার সার্ভিস ও টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত নিখোঁজ যুবক অলিকে খুঁজে পেতে শীতলক্ষ্যা নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করি। কিন্তু  প্রবল স্রোতের কারণে সেদিন উদ্ধার কাজ ব্যাহত হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বন্ধ রাখা হয়েছিল। রোববার সকাল ৯টা থেকে ফের উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা পর্যন্ত নিখোঁজ অলিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাই কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আজ উদ্ধার অভিযান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ পেলে পুনরায় সোমবার অভিযান পরিচালনা করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন