কেন্দ্রের নাম ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’, ভুল নাকি জালিয়াতি!
jugantor
কেন্দ্রের নাম ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’, ভুল নাকি জালিয়াতি!

  তানভীর সাবিক, কুবি  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩৭:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে আসা এক শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের তথ্যে গরমিল ধরা পড়েছে। সেখানে কেন্দ্রের নাম দেখা যায়, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’।

আবার প্রবেশপত্রের কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনিক আখন্দ নামে অন্য এক পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল আসে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এটা ভুল নাকি জালিয়াতি। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও পরীক্ষা কমিটি তার আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা ৫২০১০০ রোলধারী সোনিয়া আক্তার শিলা নামে এক শিক্ষার্থীর কেন্দ্রের নামে লেখা ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’। এছাড়াও নিউ একাডেমিক বিল্ডিংয়ের ৭ম তলায় সিট পড়েছে বলে প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ম তলাবিশিষ্ট কোনো একাডেমিক ভবন নেই।

আবার প্রবেশপত্রে ছাপা কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনিক আখন্দ নামে এক পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল আসে। যার কেন্দ্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া প্রবেশপত্রের রোল অনুযায়ীও অনিক আখন্দের নাম আসে। প্রবেশপত্রের এমন কাণ্ডের পরও ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরীক্ষা কমিটি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ‘বি’ ইউনিটের আহবায়ক ও কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমএম শরীফুল করীম বলেন, ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আমরা আলাদাভাবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তার উত্তরপত্র আলাদা খামে পাঠানো হবে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে।

গুচ্ছ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, এখানে কারিগরি সমস্যা হতে পারে। টেকনিক্যাল কমিটি ভালো বলতে পারবে।

বিষয়টি জানতে গুচ্ছ পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা এডিট হতে পারে। কিউআর কোডে যেহেতু অন্য কারও নাম তাহলে হয়তো ঘাপলা আছে। কিউআর কোডে ভুল থাকার কোনো কারণ নেই। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই টেকনিক্যাল কমিটির কাছে প্যানেলে এক্সেস রয়েছে। তারা এটা চেক করে নিতে পারতো। টেকনিক্যাল কমিটিকে নির্দেশনা দেয়া আছে যে, তথ্যে গরমিল থাকলে চেক করে নিতে।

এদিকে বি ইউনিটের পরীক্ষায় এদিন কুবি কেন্দ্রে মোট উপস্থিতির হার ছিল ৯৫.৪৪ শতাংশ। মোট ২ হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৩৯১ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠুভাবে গুচ্ছের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা নিয়েছি।

কেন্দ্রের নাম ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’, ভুল নাকি জালিয়াতি!

 তানভীর সাবিক, কুবি 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ‘বি’ ইউনিটে পরীক্ষা দিতে আসা এক শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের তথ্যে গরমিল ধরা পড়েছে। সেখানে কেন্দ্রের নাম দেখা যায়, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’।

আবার প্রবেশপত্রের কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনিক আখন্দ নামে অন্য এক পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল আসে। এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এটা ভুল নাকি জালিয়াতি। পরে প্রক্টরিয়াল বডি ও পরীক্ষা কমিটি তার আলাদাভাবে পরীক্ষা নিয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা ৫২০১০০ রোলধারী সোনিয়া আক্তার শিলা নামে এক শিক্ষার্থীর কেন্দ্রের নামে লেখা ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’। এছাড়াও নিউ একাডেমিক বিল্ডিংয়ের ৭ম তলায় সিট পড়েছে বলে প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ম তলাবিশিষ্ট কোনো একাডেমিক ভবন নেই।

আবার প্রবেশপত্রে ছাপা কিউআর কোড স্ক্যান করলে অনিক আখন্দ নামে এক পরীক্ষার্থীর নাম ও রোল আসে। যার কেন্দ্র জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে। এছাড়া প্রবেশপত্রের রোল অনুযায়ীও অনিক আখন্দের নাম আসে। প্রবেশপত্রের এমন কাণ্ডের পরও ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পরীক্ষা কমিটি।

এ বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ‘বি’ ইউনিটের আহবায়ক ও কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমএম শরীফুল করীম বলেন, ওই শিক্ষার্থীর পরীক্ষা আমরা আলাদাভাবে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তার উত্তরপত্র আলাদা খামে পাঠানো হবে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিবে।

গুচ্ছ পরীক্ষার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, এখানে কারিগরি সমস্যা হতে পারে। টেকনিক্যাল কমিটি ভালো বলতে পারবে।

বিষয়টি জানতে গুচ্ছ পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহবায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা এডিট হতে পারে। কিউআর কোডে যেহেতু অন্য কারও নাম তাহলে হয়তো ঘাপলা আছে। কিউআর কোডে ভুল থাকার কোনো কারণ নেই। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়েই টেকনিক্যাল কমিটির কাছে প্যানেলে এক্সেস রয়েছে। তারা এটা চেক করে নিতে পারতো। টেকনিক্যাল কমিটিকে নির্দেশনা দেয়া আছে যে, তথ্যে গরমিল থাকলে চেক করে নিতে।

এদিকে বি ইউনিটের পরীক্ষায় এদিন কুবি কেন্দ্রে মোট উপস্থিতির হার ছিল ৯৫.৪৪ শতাংশ। মোট ২ হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ৩৯১ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী বলেন, সুষ্ঠুভাবে গুচ্ছের অধীনে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্বিঘ্নে পরীক্ষা নিয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন