গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সিইও আটক
jugantor
গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সিইও আটক

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ২২:৪৬:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতারণার দায়ে রাজশাহীতে গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সিইও সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন গ্রাহকরা। রোববার দুপুরে সাইফুল ইসলামকে মহানগরীর গোরহাঙ্গা এলাকার বিন্দু হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের দুইতলায় আটক করে রাখেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা।

গ্লোবাল গেইন গ্রুপ নামের এ প্রতিষ্ঠানের রাজশাহী অফিস ছিল মহানগরীর উপশহর নূর মসজিদ এলাকায়। তবে মাত্র দুই মাস অফিস চলার পর বন্ধ করে দেয় প্রতারক চক্রটি। তবে এরই মধ্যে পৌনে দুইশ গ্রাহকের কাছে থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।

গ্লোবাল গেইন গ্রুপের কয়েকজন গ্রাহক জানান, এই প্রতিষ্ঠানটি করোনার মধ্যে মার্কেটে আসে। পরে তারা অধিক মুনাফা দেওয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে। গ্লোবাল গেইন গ্রুপে ৫০ হাজার টাকা রাখলে প্রতিদিন ২০০ করে টাকা পাওয়া যাবে এমন অফার দিয়ে তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়।

এছাড়াও গ্লোবাল গেইন গ্রুপের বিভিন্ন পণ্য আছে। যেগুলো গ্রহকদের কাছে বিক্রি করা হয়। দাম হিসেবে লাভের টাকা থেকে কেটে নেওয়ার কথা ছিল। তবে রাজশাহীতে অল্প কিছুদিন নিয়মিত থাকার পর তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

রাজশাহী মহানগরীর দাশপুকুর মোড় এলাকার গ্লোবাল গেইন গ্রুপের গ্রাহক শফিকুল ইসলাম বলেন, গ্লোবাল গেইন গ্রুপের রাজশাহীতে অফিস ছিল। তবে এখন বন্ধ। আমার ধারণা- রাজশাহীতে তাদের গ্রাহক প্রায় ১৮০ জন। তাদের থেকে বিভিন্ন সময়ে এ চক্রটি নিয়েছে কোটি টাকার বেশি।

আরেক ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন। তিনি দিয়েছেন ৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন সময়ে নিজের ও আত্মীয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দিয়েছেন এই গ্রাহক।

তিনি জানান, করোনার সময়ে তাকে বোঝানো হয়েছিল তার টাকা তারই থাকবে। মাঝখান থেকে মুনাফা পাবে। এমন প্রলোভনে ফারুক নিজের, তার মেজো ভাই মামুন হোসেন ও শাশুড়ির টাকা দেন এই প্রতারকদের হাতে।

তিনি আরও জানান, গ্লোবাল গেইন গ্রুপের প্রতিনিধিরা তাকে বলেছিল ৫০ হাজার টাকা রাখলে প্রতিদিন তিনি ২০০ টাকা পাবেন। এই ২০০ টাকার মধ্যে ২০ টাকা কেটে রাখা হবে। এরপর শুধু টাকার ম্যাসেজ আসে কিন্তু টাকা তোলা যায় না।

গ্রাহকরা বলছেন, শুধু ফারুক, সিরাজ, আরিফুলই নয়- এমন শত শত গ্রাহক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অনেকেই হারিয়েছেন শেষ সম্বল। তাদের দাবি, টাকাগুলো ফিরে পাওয়া।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, গ্রাহকরা আটক করে গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সাইফুল ইসলাম নামের একজন ব্যক্তিকে পুলিশে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সিইও আটক

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতারণার দায়ে রাজশাহীতে গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সিইও সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন গ্রাহকরা। রোববার দুপুরে সাইফুল ইসলামকে মহানগরীর গোরহাঙ্গা এলাকার বিন্দু হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের দুইতলায় আটক করে রাখেন ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। 

গ্লোবাল গেইন গ্রুপ নামের এ প্রতিষ্ঠানের রাজশাহী অফিস ছিল মহানগরীর উপশহর নূর মসজিদ এলাকায়। তবে মাত্র দুই মাস অফিস চলার পর বন্ধ করে দেয় প্রতারক চক্রটি। তবে এরই মধ্যে পৌনে দুইশ গ্রাহকের কাছে থেকে প্রায় দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি। 

গ্লোবাল গেইন গ্রুপের কয়েকজন গ্রাহক জানান, এই প্রতিষ্ঠানটি করোনার মধ্যে মার্কেটে আসে। পরে তারা অধিক মুনাফা দেওয়ার নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে। গ্লোবাল গেইন গ্রুপে ৫০ হাজার টাকা রাখলে প্রতিদিন ২০০ করে টাকা পাওয়া যাবে এমন অফার দিয়ে তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নেয়।

এছাড়াও গ্লোবাল গেইন গ্রুপের বিভিন্ন পণ্য আছে। যেগুলো গ্রহকদের কাছে বিক্রি করা হয়। দাম হিসেবে লাভের টাকা থেকে কেটে নেওয়ার কথা ছিল। তবে রাজশাহীতে অল্প কিছুদিন নিয়মিত থাকার পর তাদের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।

রাজশাহী মহানগরীর দাশপুকুর মোড় এলাকার গ্লোবাল গেইন গ্রুপের গ্রাহক শফিকুল ইসলাম বলেন,  গ্লোবাল গেইন গ্রুপের রাজশাহীতে অফিস ছিল। তবে এখন বন্ধ। আমার ধারণা- রাজশাহীতে তাদের গ্রাহক প্রায় ১৮০ জন। তাদের থেকে বিভিন্ন সময়ে এ চক্রটি নিয়েছে কোটি টাকার বেশি। 

আরেক ভুক্তভোগী ফারুক হোসেন। তিনি দিয়েছেন ৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন সময়ে নিজের ও আত্মীয়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে দিয়েছেন এই গ্রাহক। 

তিনি জানান, করোনার সময়ে তাকে বোঝানো হয়েছিল তার টাকা তারই থাকবে। মাঝখান থেকে মুনাফা পাবে। এমন প্রলোভনে ফারুক নিজের, তার মেজো ভাই মামুন হোসেন ও শাশুড়ির টাকা দেন এই প্রতারকদের হাতে।

তিনি আরও জানান, গ্লোবাল গেইন গ্রুপের প্রতিনিধিরা তাকে বলেছিল ৫০ হাজার টাকা রাখলে প্রতিদিন তিনি ২০০ টাকা পাবেন। এই ২০০ টাকার মধ্যে ২০ টাকা কেটে রাখা হবে। এরপর শুধু টাকার ম্যাসেজ আসে কিন্তু টাকা তোলা যায় না।

গ্রাহকরা বলছেন, শুধু ফারুক, সিরাজ, আরিফুলই নয়- এমন শত শত গ্রাহক প্রতারণার শিকার হয়েছেন। অনেকেই হারিয়েছেন শেষ সম্বল। তাদের দাবি, টাকাগুলো ফিরে পাওয়া।

এ বিষয়ে বোয়ালিয়া থানার ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মণ জানান, গ্রাহকরা আটক করে গ্লোবাল গেইন গ্রুপের সাইফুল ইসলাম নামের একজন ব্যক্তিকে পুলিশে দিয়েছেন। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন