পরকীয়ায় নববধূকে হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন
jugantor
পরকীয়ায় নববধূকে হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২১, ২২:২৭:৩৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার দয়ারামদি গ্রামে নববধূকে হত্যার ঘটনায় তার স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত আসামিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

সোমবার দুপুরে নোয়াখালী দায়রা জজ সালেহ আহমেদ এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামি মনির হোসেন বাবুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মনির হোসেন বাবু কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দয়ারামদি গ্রামের আলী আহম্মদ নতুন বাড়ির মৃত আলী আহম্মদের ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন নোয়াখালী দায়রা জজ আদালতের পিপি গুলজার আহমেদ জুয়েল। আসামি পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন জুয়েল।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১ মে কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের দয়ারামদি গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে নববধূ নাজমা আক্তার ওরফে নাজুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৩০ এপ্রিল দিবাগত রাতে আসামি তার স্ত্রীকে ঠাণ্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ওই রাতে বাবু এলাকার স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে তার স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে। এরপর সেখান থেকে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে নিহতের স্বামীকে আসামি করে কবিরহাট থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এজাহারে বলা হয় তার বোনকে যৌতুকের দাবিতে হত্যা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে আসামি বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কবিরহাট থানার এসআই মাসুদ আলম পাটোয়ারী।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যৌতুকের জন্য দাবিতে নয় একজন নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে আসামি বাবু তার স্ত্রীকে হত্যা করে।

মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, বিয়ের পূর্বে থেকে বাবুর সঙ্গে একই এলাকার মরিয়ম আক্তার পপি নামে এক নারীর প্রেম ছিল। এ পরকীয়ার জের ধরেই নববধূকে হত্যা করে স্বামী।

পরকীয়ায় নববধূকে হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার দয়ারামদি গ্রামে নববধূকে হত্যার ঘটনায় তার স্বামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আদালত আসামিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন।

সোমবার দুপুরে নোয়াখালী দায়রা জজ সালেহ আহমেদ এ দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত আসামি মনির হোসেন বাবুকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মনির হোসেন বাবু কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দয়ারামদি গ্রামের আলী আহম্মদ নতুন বাড়ির মৃত আলী আহম্মদের ছেলে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন নোয়াখালী দায়রা জজ আদালতের পিপি গুলজার আহমেদ জুয়েল। আসামি পক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন জুয়েল।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১ মে কবিরহাট উপজেলার বাটইয়া ইউনিয়নের দয়ারামদি গ্রামের শ্বশুরবাড়ি থেকে নববধূ নাজমা আক্তার ওরফে নাজুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ৩০ এপ্রিল দিবাগত রাতে আসামি তার স্ত্রীকে ঠাণ্ডা মাথায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ওই রাতে বাবু এলাকার স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে তার স্ত্রীকে হত্যার দায় স্বীকার করে। এরপর সেখান থেকে তাকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

এ ঘটনায় ওই দিন রাতেই নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে নিহতের স্বামীকে আসামি করে কবিরহাট থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এজাহারে বলা হয় তার বোনকে যৌতুকের দাবিতে হত্যা করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত করে আসামি বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কবিরহাট থানার এসআই মাসুদ আলম পাটোয়ারী।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, যৌতুকের জন্য দাবিতে নয় একজন নারীর সঙ্গে সম্পর্কের কারণে আসামি বাবু তার স্ত্রীকে হত্যা করে।

মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, বিয়ের পূর্বে থেকে বাবুর সঙ্গে একই এলাকার মরিয়ম আক্তার পপি নামে এক নারীর প্রেম ছিল। এ পরকীয়ার জের ধরেই নববধূকে হত্যা করে স্বামী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন