মেঘনায় ইলিশ শিকারে ব্যস্ত অর্ধলক্ষাধিক জেলে
jugantor
মেঘনায় ইলিশ শিকারে ব্যস্ত অর্ধলক্ষাধিক জেলে

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৬:৪২  |  অনলাইন সংস্করণ

মা ইলিশ জব্দ

মা ইলিশ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় নেমেছে অর্ধলক্ষাধিক জেলে।

সোমবার মধ্যরাত থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে নদীতে নেমেছেন জেলেরা।

গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে সব রকম মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার।

জানা গেছে, অবসর সময়ে জাল এবং নৌকা মেরামত করে সব প্রস্তুতি নিয়েই জেলেরা নদীতে নৌকা ভাসিয়েছেন।

মৎস্য কার্যালয় সূত্র জানায়, রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত গত ২২ দিন ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞাকালীন নদীতে ২২৫টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে জব্দকৃত ইলিশ মাছগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয় এবং মাছ শিকারের জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এ সময় আটক ১৩ জেলেকে ৩৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা শেষ, এখন নদীতে মাছ ধরা উন্মুক্ত। তবে জাটকা সংরক্ষণে অভিযান অব্যাহত থাকবে। লক্ষ্মীপুরে ৪৯ হাজার ৯৩৩ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। তাদের মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩৮ হাজার ৭৩৬ জেলেকে ভিজিএফের আওতায় ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞার সময় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে মৎস্য বিভাগ নিয়মিত নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছে। আমরা জেলেদের নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার না করতে সচেতন করেছি। তাই এবার অভিযান অনেকটা সফল হয়েছে। আশা করি মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পেরেছে।

মেঘনায় ইলিশ শিকারে ব্যস্ত অর্ধলক্ষাধিক জেলে

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৬ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মা ইলিশ জব্দ
ছবি: যুগান্তর

মা ইলিশ রক্ষা ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে টানা ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় নেমেছে অর্ধলক্ষাধিক জেলে।

সোমবার মধ্যরাত থেকে উৎসবমুখর পরিবেশে নদীতে নেমেছেন জেলেরা।

গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদীতে সব রকম মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার।

জানা গেছে, অবসর সময়ে জাল এবং নৌকা মেরামত করে সব প্রস্তুতি নিয়েই জেলেরা নদীতে নৌকা ভাসিয়েছেন। 

মৎস্য কার্যালয় সূত্র জানায়, রামগতির আলেকজান্ডার থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত গত ২২ দিন ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞাকালীন নদীতে ২২৫টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে জব্দকৃত ইলিশ মাছগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয় এবং মাছ শিকারের জালগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়। 

এ সময় আটক ১৩ জেলেকে ৩৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। 

নিষেধাজ্ঞা শেষ, এখন নদীতে মাছ ধরা উন্মুক্ত। তবে জাটকা সংরক্ষণে অভিযান অব্যাহত থাকবে। লক্ষ্মীপুরে ৪৯ হাজার ৯৩৩ জন নিবন্ধিত জেলে রয়েছেন। তাদের মধ্যে তালিকাভুক্ত ৩৮ হাজার ৭৩৬  জেলেকে ভিজিএফের আওতায় ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ২২ দিনে নিষেধাজ্ঞার সময় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে মৎস্য বিভাগ নিয়মিত নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছে। আমরা জেলেদের নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার না করতে সচেতন করেছি। তাই এবার অভিযান অনেকটা সফল হয়েছে। আশা করি মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পেরেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন