নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক, বাগানে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ
jugantor
নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক, বাগানে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

  মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০১:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

ভোলার মনপুরা উপজেলায় নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক দিয়ে ঘরের দরজা খুলে হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাগানে নিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় মামলা করেন।

এর আগে রোববার রাত ১২টায় উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে ওই গৃহবধূর বসতঘরের পাশের বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিনকে (৩৫) আটক করে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর চার আসামিকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

আসামিরা হলো— মো. শিপন উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাইয়ুম হাওলাদারের ছেলে, মো. বেল্লাল মেকার, মো. হেলাল, মো. ইউসুফ দালাল ও মো. সেলিম মেকার। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে নির্যাতিত ওই গৃহবধূ উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ১১টার দিকে নারী কণ্ঠে ওই গৃহবধূর নাম ধরে একাধিকবার ডাক দেয়।

পরে ঘরের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিন, মো. বেল্লাল মেকার, মো. হেলাল, মো. ইউসুফ দালাল, মো. সেলিম মেকার ওই গৃহবধূর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে যায়।

পরে রাত ১টায় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেলা হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়।

তবে ঘটনার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ায় বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনা শুনে সোমবার স্বামী বাড়িতে ফিরলে ওই গৃহবধূ রাতে বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন।

পরে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিনকে আটক করে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার আসামি পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি সাঈদ আহমেদ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে আটক করা হয়েছে। অপর চার আসামিকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক, বাগানে তুলে নিয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

 মনপুরা (ভোলা) প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ফাইল ছবি

ভোলার মনপুরা উপজেলায় নারী কণ্ঠে একাধিকবার ডাক দিয়ে ঘরের দরজা খুলে হাত-পা ও মুখ বেঁধে বাগানে নিয়ে এক গৃহবধূকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে মনপুরা থানায় মামলা করেন।

এর আগে রোববার রাত ১২টায় উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে ওই গৃহবধূর বসতঘরের পাশের বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিনকে (৩৫) আটক করে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপর চার আসামিকে ধরতে পারেনি পুলিশ। 

আসামিরা হলো— মো. শিপন উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা কাইয়ুম হাওলাদারের ছেলে, মো. বেল্লাল মেকার, মো. হেলাল, মো. ইউসুফ দালাল ও মো. সেলিম মেকার। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রোববার রাতে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে নির্যাতিত ওই গৃহবধূ উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের চরগোয়ালিয়া গ্রামের ৫নং ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। রাত ১১টার দিকে নারী কণ্ঠে ওই গৃহবধূর নাম ধরে একাধিকবার ডাক দেয়।

পরে ঘরের দরজা খোলার সঙ্গে সঙ্গে মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিন, মো. বেল্লাল মেকার, মো. হেলাল, মো. ইউসুফ দালাল, মো. সেলিম মেকার ওই গৃহবধূর হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে ফেলে যায়। 

পরে রাত ১টায় স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সোমবার বিকালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেলা হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করা হয়।

তবে ঘটনার দিন ওই গৃহবধূর স্বামী সাগরে মাছ ধরতে যাওয়ায় বাড়িতে ছিলেন না। এ ঘটনা শুনে সোমবার স্বামী বাড়িতে ফিরলে ওই গৃহবধূ রাতে বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। 

পরে মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি মো. শিপন ওরফে আলাউদ্দিনকে আটক করে। তবে ঘটনার সঙ্গে জড়িত চার আসামি পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে মনপুরা থানার ওসি সাঈদ আহমেদ জানান, গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে থানায় মামলা হয়েছে। প্রধান আসামিকে আটক করা হয়েছে। অপর চার আসামিকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন