চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলায় বিএনপি নেতাসহ আরও ৮ জন গ্রেফতার
jugantor
চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলায় বিএনপি নেতাসহ আরও ৮ জন গ্রেফতার

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০৭:৩৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিত্যানন্দ বিগ্রহ (ইসকন) মন্দির, শ্রীশ্রী রামঠাকুর চন্দ্র মন্দির ও শ্রীশ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে হামলা এবং সহিংসতার ঘটনায় বিএনপির দুই নেতাসহ আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যা ব-১১ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— সুধারাম থানার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন (৩৩), বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইমরান হোসেন নিশান (২০), একই ওয়ার্ডের মো. রনি (২০), চৌমুহনী পৌরসভার মীরওয়ারিশ গ্রামের বিএনপির সমর্থক মো. ইউসুফ (৩০), চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আক্তারুজ্জামান (৫০), সোনাইমুড়ী উপজেলার রবিউল হোসেন ওরফে রনি (৩২), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সাহেদুল ইসলাম (২২) এবং হাতিয়া পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ছেরাজুল হক বেচু (৪২)।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেফতারের এ তথ্য জানান নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম।

তিনি জানান, আসামি ইমরান হোসেন নিশান, আব্দুর রহিম সুজনসহ কয়েকজন মন্দিরে লুটপাট করে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেন। নিশান আট হাজার টাকা ভাগে পায়। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা সে খরচ করে। বাকি ২৫০০ টাকা তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতার আসামিদের মঙ্গলবার নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

উল্লেখ্য, কুমিল্লার ঘটনার জেরে ১৫ অক্টোবর বেগমগঞ্জের বিভিন্ন মন্দিরে হামলার ঘটনায় এর আগে গ্রেফতার চার আসামি হামলায় নিজেদের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

ঘটনা তদন্তে পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে একটি, চট্টগ্রাম ডিআইজি কার্যালয় থেকে এক, জেলা পুলিশ থেকে এক এবং জেলা প্রশাসক থেকে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চৌমুহনীতে মন্দিরে হামলায় বিএনপি নেতাসহ আরও ৮ জন গ্রেফতার

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গ্রেফতার
ফাইল ছবি

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিত্যানন্দ বিগ্রহ (ইসকন) মন্দির, শ্রীশ্রী রামঠাকুর চন্দ্র মন্দির ও শ্রীশ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে হামলা এবং সহিংসতার ঘটনায় বিএনপির দুই নেতাসহ আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সোমবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে জেলার বিভিন্ন থানার পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও র্যা ব-১১ তাদের গ্রেফতার করে।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— সুধারাম থানার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন (৩৩), বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইমরান হোসেন নিশান (২০), একই ওয়ার্ডের মো. রনি (২০), চৌমুহনী পৌরসভার মীরওয়ারিশ গ্রামের বিএনপির সমর্থক মো. ইউসুফ (৩০), চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আক্তারুজ্জামান (৫০), সোনাইমুড়ী উপজেলার রবিউল হোসেন ওরফে রনি (৩২), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সাহেদুল ইসলাম (২২)  এবং হাতিয়া পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ছেরাজুল হক বেচু (৪২)।

মঙ্গলবার সকালে এক সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেফতারের এ তথ্য জানান নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মো. শহীদুল ইসলাম।

তিনি জানান, আসামি ইমরান হোসেন নিশান, আব্দুর রহিম সুজনসহ কয়েকজন মন্দিরে লুটপাট করে এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেন।  নিশান আট হাজার টাকা ভাগে পায়। এর মধ্যে পাঁচ হাজার ৫০০ টাকা সে খরচ করে। বাকি ২৫০০ টাকা তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। 
গ্রেফতার আসামিদের মঙ্গলবার নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

উল্লেখ্য, কুমিল্লার ঘটনার জেরে ১৫ অক্টোবর বেগমগঞ্জের বিভিন্ন মন্দিরে হামলার ঘটনায় এর আগে গ্রেফতার চার আসামি হামলায় নিজেদের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

ঘটনা তদন্তে পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে একটি, চট্টগ্রাম ডিআইজি কার্যালয় থেকে এক, জেলা পুলিশ থেকে এক এবং জেলা প্রশাসক থেকে আরও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন