ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৫ জনকে ফাঁসির আদেশ
jugantor
ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৫ জনকে ফাঁসির আদেশ

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৪:৫০  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের ব্যবসায়ী দুলাল শেখ হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায়ে ৫ আসামিকে ফাঁসির আদেশ ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন। আসামিদের সবাই পলাতক রয়েছেন।

আসামিরা হলেন- মুকসুদপুর উপজেলার ভট্টাচার্যকান্দি গ্রামের মো. মান্নান শেখের ছেলে ফক্কার শেখ, মুছা শেখের ছেলে মো. মেহেদী হাসান শেখ, গোহালা গ্রামের শংকর সাহার ছেলে সুমন সাহা, একই গ্রামের মো. কাঞ্চন ফকিরের ছেলে মো. কাওছার ফকির এবং শ্রীজিতপুর গ্রামের সিরাজ মোল্লার ছেলে মো. আল আমিন মোল্লা।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি মো. শহিদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, মুকসুদপুরের ব্যবসায়ী দুলাল শেখকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় ২০১২ সালে। নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় ৫ আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মুন্সী মো. আতিয়ার রহমান এবং মোহাম্মদ আবু তালেব।

অ্যাডভোকেট মুন্সী মো. আতিয়ার রহমান বলেন, আসামিদের ফাঁসির আদেশ দেওয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। আদালত এ মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দি ভালোভাবে দেখলে আসামিদের জেলও দিতেন না। সাক্ষীরা সবাই এ ঘটনাকে অস্বীকার করে গেছেন। তারপরও কীভাবে এ মামলায় ফাঁসির রায় দেন? আমরা অবশ্যই উচ্চ আদালতে যাব।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ২ জুন রাতে আসামিরা দুলাল শেখকে পরস্পর যোগসাজশে কুপিয়ে হত্যা করে কুমার নদীতে ফেলে দেয়। পরের দিন ৩ জুন নদী থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। ওই দিনই মুকসুদপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী সুলতানা বেগম একটি হত্যা মামলা করেন।

ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৫ জনকে ফাঁসির আদেশ

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের ব্যবসায়ী দুলাল শেখ হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায়ে ৫ আসামিকে ফাঁসির আদেশ ও ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন অতিরিক্ত দায়রা জজ মো. আব্বাস উদ্দীন। আসামিদের সবাই পলাতক রয়েছেন।

আসামিরা হলেন- মুকসুদপুর উপজেলার ভট্টাচার্যকান্দি গ্রামের মো. মান্নান শেখের ছেলে ফক্কার শেখ, মুছা শেখের ছেলে মো. মেহেদী হাসান শেখ, গোহালা গ্রামের শংকর সাহার ছেলে সুমন সাহা, একই গ্রামের মো. কাঞ্চন ফকিরের ছেলে মো. কাওছার ফকির এবং শ্রীজিতপুর গ্রামের সিরাজ মোল্লার ছেলে মো. আল আমিন মোল্লা।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন এপিপি মো. শহিদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, মুকসুদপুরের ব্যবসায়ী দুলাল শেখকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় ২০১২ সালে। নিহতের স্ত্রীর করা মামলায় ৫ আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আসামিপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মুন্সী মো. আতিয়ার রহমান এবং মোহাম্মদ আবু তালেব।
 
অ্যাডভোকেট মুন্সী মো. আতিয়ার রহমান বলেন, আসামিদের ফাঁসির আদেশ দেওয়ায় আমরা হতাশ হয়েছি। আদালত এ মামলার সাক্ষীদের জবানবন্দি ভালোভাবে দেখলে আসামিদের জেলও দিতেন না। সাক্ষীরা সবাই এ ঘটনাকে অস্বীকার করে গেছেন। তারপরও কীভাবে এ মামলায় ফাঁসির রায় দেন? আমরা অবশ্যই উচ্চ আদালতে যাব।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১২ সালের ২ জুন রাতে আসামিরা দুলাল শেখকে পরস্পর যোগসাজশে কুপিয়ে হত্যা করে কুমার নদীতে ফেলে দেয়। পরের দিন ৩ জুন নদী থেকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। ওই দিনই মুকসুদপুর থানায় ৫ জনকে আসামি করে নিহতের স্ত্রী সুলতানা বেগম একটি হত্যা মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন