লিয়াকতের রিভলভার থেকে গুলি করা হয় মেজর সিনহাকে
jugantor
লিয়াকতের রিভলভার থেকে গুলি করা হয় মেজর সিনহাকে

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:৩১:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করা হয়েছে লিয়াকতের ব্যবহৃত সরকারি রিভলভার থেকেই। আদালতে এমনটি সাক্ষ্য দিয়েছেন আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষক মো. মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সাক্ষী মিজান বলেন, আদালতের নির্দেশে লিয়াকতের ব্যবহৃত সরকারি রিভলভারটি আমরা পরীক্ষা করি। পরীক্ষা করে জানতে পারি, লিয়াকতের নামে ইস্যু করা সরকারি রিভলভার থেকেই গুলি বের হয়েছে। সেই রিভলভারের গুলিই সিনহার শরীরে পাওয়া গেছে।

মেজর সিনহা হত্যা মামলার ৪৩তম সাক্ষী মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি রবির কর্মকর্তা এহছানুল করিমের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠ দফার দ্বিতীয় দিনের আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

মঙ্গলবারের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। এসব তথ্য মেজর সিনহা হত্যা মামলার বিচার কাজের সঙ্গে যুক্ত একাধিক আইনজীবী ও আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, মঙ্গলবার ১৪ জন সাক্ষী দিয়েছেন। এ নিয়ে সর্বমোট ৫৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আজকের সব সাক্ষীই গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সাক্ষী হিসেবে পুলিশ, অস্ত্র পরীক্ষক ও বেসরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা সাক্ষী দিয়েছেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়।

তারা হলেন, বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেবনাথ। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় ওই সময় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

লিয়াকতের রিভলভার থেকে গুলি করা হয় মেজর সিনহাকে

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মেরিন ড্রাইভের শামলাপুর চেকপোস্টে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করা হয়েছে লিয়াকতের ব্যবহৃত সরকারি রিভলভার থেকেই। আদালতে এমনটি সাক্ষ্য দিয়েছেন আগ্নেয়াস্ত্র পরীক্ষক মো. মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১০টায় কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে সাক্ষী মিজান বলেন, আদালতের নির্দেশে লিয়াকতের ব্যবহৃত সরকারি রিভলভারটি আমরা পরীক্ষা করি। পরীক্ষা করে জানতে পারি, লিয়াকতের নামে ইস্যু করা সরকারি রিভলভার থেকেই গুলি বের হয়েছে। সেই রিভলভারের গুলিই সিনহার শরীরে পাওয়া গেছে।

মেজর সিনহা হত্যা মামলার ৪৩তম সাক্ষী মোবাইল নেটওয়ার্ক কোম্পানি রবির কর্মকর্তা এহছানুল করিমের সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে ষষ্ঠ দফার দ্বিতীয় দিনের আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়।

মঙ্গলবারের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। এসব তথ্য মেজর সিনহা হত্যা মামলার বিচার কাজের সঙ্গে যুক্ত একাধিক আইনজীবী ও আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

কক্সবাজার জেলা  ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন, মঙ্গলবার ১৪ জন সাক্ষী দিয়েছেন। এ নিয়ে সর্বমোট ৫৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
 
তিনি আরও বলেন, আজকের সব সাক্ষীই গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। সাক্ষী হিসেবে পুলিশ, অস্ত্র পরীক্ষক ও বেসরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয়রা সাক্ষী দিয়েছেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মামলার ১৫ আসামিকে প্রিজনভ্যানে করে কড়া পুলিশ পাহারায় আদালতে আনা হয়।

তারা হলেন, বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুল করিম, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া ও কনস্টেবল সাগর দেবনাথ। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্য এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজিব ও মো. আব্দুল্লাহ এবং টেকনাফের বাহারছড়ার মারিষবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও পুলিশের করা মামলার সাক্ষী নুরল আমিন, মো. নিজাম উদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় ওই সময় সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন