নদীবন্দরে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি শ্রমিকদের
jugantor
নদীবন্দরে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি শ্রমিকদের

  বরিশাল ব্যুরো  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৯:০৮:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল নদীবন্দরে থ্রি হুইলার থেকে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শ্রমিকরা। পাশাপাশি নগরীতে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন থ্রি হুইলার শ্রমিকরা।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল নদীবন্দরের সামনে থ্রি হুইলার চালক-শ্রমিকদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শ্রমিক মো. জালাল বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে মাহিন্দ্রা ও সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকদের আয় কমে গেছে। এর মধ্যে প্রতি রাতে নদীবন্দর এলাকায় লঞ্চের যাত্রী পরিবহন করার জন্য আমরা গাড়ি নিয়ে আসলে ভাটারখাল এলাকার সুমন ও চাঁদমারী মাদ্রাসা গলির রাজিব, ফয়সাল ও মিলন সিরিয়াল দেওয়ার জন্য চাঁদা আদায় করেন। আমাদের নানা সমস্যার কথা অনেকবার বলেছি ইউনিয়নকে। তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

একাধিক শ্রমিক জানান, থ্রি হুইলার মাহিন্দ্র, সিএনজি যাত্রী পরিবহন করার জন্য নদীবন্দরে আসলে সুমন ও তার সহযোগীরা সিরিয়াল দেওয়ার জন্য অগ্রিম ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা এবং প্রতি রাতে গাড়ি প্রতি ১০০ টাকা আদায় করেন। প্রতিবাদ করলে মারধরের শিকার হতে হয়। তাই চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদে আমরা সব শ্রমিক গাড়ি বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করি।

বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, আমি সবসময় সাধারণ শ্রমিকদের পাশে আছি। নদীবন্দর এলাকায় কোন গাড়ি থেকে কেউ চাঁদাবাজি করলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্ৰহণ করব।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সুমন, ফয়সাল, রাজিব বা মিলনের সঙ্গেযোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নদীবন্দরে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি শ্রমিকদের

 বরিশাল ব্যুরো 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৭:০৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরিশাল নদীবন্দরে থ্রি হুইলার থেকে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন শ্রমিকরা। পাশাপাশি নগরীতে বিক্ষোভ মিছিলও করেছেন থ্রি হুইলার শ্রমিকরা।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরিশাল নদীবন্দরের সামনে থ্রি হুইলার চালক-শ্রমিকদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শ্রমিক মো. জালাল বলেন, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে মাহিন্দ্রা ও সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিকদের আয় কমে গেছে। এর মধ্যে প্রতি রাতে নদীবন্দর এলাকায় লঞ্চের যাত্রী পরিবহন করার জন্য আমরা গাড়ি নিয়ে আসলে ভাটারখাল এলাকার সুমন ও চাঁদমারী মাদ্রাসা গলির  রাজিব, ফয়সাল ও মিলন  সিরিয়াল দেওয়ার জন্য চাঁদা আদায় করেন। আমাদের নানা সমস্যার কথা অনেকবার বলেছি ইউনিয়নকে। তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

একাধিক শ্রমিক জানান, থ্রি হুইলার মাহিন্দ্র, সিএনজি যাত্রী পরিবহন করার জন্য নদীবন্দরে আসলে সুমন ও তার সহযোগীরা সিরিয়াল দেওয়ার জন্য অগ্রিম ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা এবং প্রতি রাতে গাড়ি প্রতি ১০০ টাকা আদায় করেন। প্রতিবাদ করলে মারধরের শিকার হতে হয়। তাই চাঁদাবাজি বন্ধের প্রতিবাদে আমরা সব শ্রমিক গাড়ি বন্ধ করে বিক্ষোভ শুরু করি।

বরিশাল মহানগর শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক পরিমল চন্দ্র দাস বলেন, আমি সবসময় সাধারণ শ্রমিকদের পাশে আছি। নদীবন্দর এলাকায় কোন গাড়ি থেকে কেউ চাঁদাবাজি করলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্ৰহণ করব।

এ বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সুমন, ফয়সাল, রাজিব বা মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন