ফের আন্দোলনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা, ভবনে তালা
jugantor
ফের আন্দোলনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা, ভবনে তালা

  গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪০:২৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সেমিস্টার, হল ও পরিবহন ফি হ্রাস এবং বিভাগ উন্নয়ন ফি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

বুধবার সকালে ৯টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন সমাবেশ করে। এ সময় তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে ৭ দফা দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। একপর্যায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল রাজু বুধবার সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচির ডাক দেন।

আবদুল্লাহ আল রাজু বলেন, বুধবার সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি চলবে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এবং যতদিন শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস সৃষ্টি না হবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ হাসান বলেন, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও প্রক্টর নতুন উপাচার্য আসার পর আমাদের দাবি মানা হবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখলাম আমাদের কোনো দাবিই মানা হয়নি।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি ছিল হলের ভাড়া ৩৫০ টাকার স্থলে ১৫০ টাকা, পরিবহন ফি ৬০০ টাকার বদলে ৩০০ টাকা করা এবং ডিপার্টমেন্ট উন্নয়ন ফি ১৫০০ টাকা বাতিল করতে হবে। আগে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ ঘোষণার পর আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবিসহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের হেয়প্রতিপন্ন করে, আমাদের অবজ্ঞা করে কর্তৃপক্ষ তার পর দিনই আবার বর্ধিত ফিসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তাই এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ফিরে যাব না।

বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড.একিউএম মাহবুব বলেন, বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফি সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধান করবো। ইতোমধ্যে আমরা করোনাকালের পরিবহন ফি এবং হল ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করেছি। এছাড়া আরও কিছু ফি কমানো হয়েছে। এরপরও শিক্ষার্থীদের কোনো দাবি থাকলে আমি সেগুলো শুনবো। এসব বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ে যেসব নির্দেশনা আছে তাদের জানাবো। আমি একা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারি না।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার নতুনভাবে নির্ধারিত ফিসমূহ প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তি দেখার পর শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করেন।

ফের আন্দোলনে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা, ভবনে তালা

 গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সেমিস্টার, হল ও পরিবহন ফি হ্রাস এবং বিভাগ উন্নয়ন ফি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

বুধবার সকালে ৯টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন সমাবেশ করে। এ সময় তারা সেখানে অবস্থান নিয়ে ৭ দফা দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেয়। একপর্যায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করে। এছাড়া আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বাংলা বিভাগের  শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল রাজু বুধবার সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচির ডাক দেন।

আবদুল্লাহ আল রাজু বলেন, বুধবার সকাল ৯টা থেকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২৪ ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি চলবে। আমাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এবং যতদিন শিক্ষার্থীবান্ধব ক্যাম্পাস সৃষ্টি না হবে, ততদিন আমাদের আন্দোলন চলবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে।

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদ হাসান বলেন, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ও প্রক্টর নতুন উপাচার্য আসার পর আমাদের দাবি মানা হবে বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে আমরা দেখলাম আমাদের কোনো দাবিই মানা হয়নি।

তিনি বলেন, আমাদের দাবি ছিল হলের ভাড়া ৩৫০ টাকার স্থলে ১৫০ টাকা, পরিবহন ফি ৬০০ টাকার বদলে ৩০০ টাকা করা এবং ডিপার্টমেন্ট উন্নয়ন ফি ১৫০০ টাকা বাতিল করতে হবে। আগে রেজিস্ট্রেশনের তারিখ ঘোষণার পর আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীর পক্ষ থেকে ৭ দফা দাবিসহ একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের হেয়প্রতিপন্ন করে, আমাদের অবজ্ঞা করে কর্তৃপক্ষ তার পর দিনই আবার বর্ধিত ফিসহ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। তাই এবার দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ফিরে যাব না।

বশেমুরবিপ্রবির উপাচার্য ড.একিউএম মাহবুব বলেন, বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফি সংক্রান্ত বিষয়টি সমাধান করবো। ইতোমধ্যে আমরা করোনাকালের পরিবহন ফি এবং হল ফি সম্পূর্ণ মওকুফ করেছি। এছাড়া আরও কিছু ফি কমানো হয়েছে। এরপরও শিক্ষার্থীদের কোনো দাবি থাকলে আমি সেগুলো শুনবো। এসব বিষয়ে রিজেন্ট বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ে যেসব নির্দেশনা আছে তাদের জানাবো। আমি একা কোনো সিদ্ধান্ত  গ্রহণ করতে পারি না।

প্রসঙ্গত, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. মোরাদ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে মঙ্গলবার নতুনভাবে নির্ধারিত ফিসমূহ প্রকাশ করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তি দেখার পর শিক্ষার্থীরা এ আন্দোলন শুরু করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন