নগরকান্দায় বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর
jugantor
নগরকান্দায় বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর

  নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:২২:৩০  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর সমর্থক ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম উত্তেজনা। এরই জের ধরে বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়ার নির্বাচনি অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছে। এ সময় রইস ও আক্কাস নামের দুই যুবক আহত হয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, আগামী ১১ নভেম্বর তালমা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে রনজিত কুমার মন্ডল চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান আবু সহিদ মিয়া এবং বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগমের বড় ছেলে কামাল হোসেন মিয়া। ফলে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে তালমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

যুবলীগকর্মী জাকির হোসেন জানান, মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল হোসেন মিয়ার বিলনালিয়া নতুন বাজারের একটি অফিসে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন তালমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়াবুর রহমান। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর দুই শতাধিক সমর্থক নৌকার স্লোগান দিয়ে সেখানে যায় এবং অফিসে থাকা যুবলীগ নেতা রইস ও আক্কাস নামের দুই যুবককে মারপিট করে। এ সময় তারা অফিসে হামলা চালিয়ে চেয়ার-টেবিল ও অফিসঘর ভাঙচুর করে। পরে তারা অফিসে থাকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়াবুর রহমানকে ধাওয়া করে। তিনি পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়ে হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করে।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়া বলেন, আমি বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু সহিদ মিয়ার সন্তান। আবার বাবা দীর্ঘদিন এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। আমার মা বর্তমান চেয়ারম্যান হিসাবে রয়েছেন। আমার পরিবার আওয়ামী পরিবার। আমি তালমা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও নিশ্চিত জয়ের সম্ভাবনা থাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমার নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে। দুজনকে পিটিয়ে আহত করেছে। এ বিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ করব।

এ ব্যাপারে জানতে আওয়ামী লীগের মনোনীত তালমা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রনজিত কুমার মন্ডলের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

নগরকান্দায় বিদ্রোহী প্রার্থীর নির্বাচনি অফিস ভাঙচুর

 নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:২২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার তালমা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর সমর্থক ও বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম উত্তেজনা। এরই জের ধরে বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়ার নির্বাচনি অফিসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়েছে। এ সময় রইস ও আক্কাস নামের দুই যুবক আহত হয়েছেন। 

স্থানীয়রা জানান, আগামী ১১ নভেম্বর তালমা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে  রনজিত কুমার মন্ডল চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান আবু সহিদ মিয়া এবং বর্তমান চেয়ারম্যান দেলোয়ারা বেগমের বড় ছেলে কামাল হোসেন মিয়া। ফলে দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে তালমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

যুবলীগকর্মী জাকির হোসেন জানান, মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কামাল হোসেন মিয়ার বিলনালিয়া নতুন বাজারের একটি অফিসে বসে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন তালমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়াবুর রহমান। বিকাল সাড়ে চারটার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর দুই শতাধিক সমর্থক নৌকার স্লোগান দিয়ে সেখানে যায় এবং অফিসে থাকা যুবলীগ নেতা রইস ও আক্কাস নামের দুই যুবককে মারপিট করে। এ সময় তারা অফিসে হামলা চালিয়ে চেয়ার-টেবিল ও অফিসঘর ভাঙচুর করে। পরে তারা অফিসে থাকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তৈয়াবুর রহমানকে ধাওয়া করে। তিনি পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখানে গিয়ে হামলাকারীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করে।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামাল হোসেন মিয়া বলেন, আমি বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু সহিদ মিয়ার সন্তান। আবার বাবা দীর্ঘদিন এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। আমার মা বর্তমান চেয়ারম্যান হিসাবে রয়েছেন। আমার পরিবার আওয়ামী পরিবার। আমি তালমা ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় প্রতিপক্ষের লোকজন আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এলাকায় আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও নিশ্চিত জয়ের সম্ভাবনা থাকায় প্রতিপক্ষের লোকজন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আমার নির্বাচনি ক্যাম্প ভাঙচুর করেছে। দুজনকে পিটিয়ে আহত করেছে। এ বিষয়ে আমি থানায় অভিযোগ করব।

এ ব্যাপারে জানতে আওয়ামী লীগের মনোনীত তালমা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রনজিত কুমার মন্ডলের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন