সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের রাঙামাটি সফর
jugantor
সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের রাঙামাটি সফর

  রাঙামাটি প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৫৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের রাঙামাটি সফর

পার্বত্য জেলা রাঙামাটি সফর করছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ড সরকারের রাষ্ট্রদূত নাথাইলে চুয়ার্ড এবং সুইডেন সরকারের রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার বার্জ ভন লিন্ডা।

সফরের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন তারা।

এর আগে প্রথম দিন বুধবার বিকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরীর সঙ্গে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তারা।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উভয় দেশের রাষ্ট্রদূত বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এটি তাদের প্রথম সফর। তাদের সরকার বিভিন্ন দেশে জলবায়ু, মানবাধিকার, জেন্ডার বিষয়ে কাজ করে। এসব বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বুঝতে তাদের এ সফর।

এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে গঠিত পার্বত্য পরিষদগুলো কীভাবে উন্নয়নমূলক কাজ করে এবং করোনাকালীন এখানকার মানুষ কীভাবে নিজেদের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করছে, সে বিষয়েও জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা।

এ সময় উভয় দেশের রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর ইউএনডিপির মাধ্যমে বিদেশি দাতাদের সহায়তায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে রাঙামাটি জেলার প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলগুলো জাতীয়করণ, ম্যালেরিয়া নির্মূল এবং কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য এসেছে।

সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে তিনি জানান, পার্বত্য শান্তিচুক্তি হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের অংশ হিসাবে। এটি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, ভারত প্রত্যাগত ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স এবং ভূমি সমস্যা সমাধানে পার্বত্য ভূমি কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক ধীরগতির কারণে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে শক্তিশালী হতে পারছে না।

তবে শিগগির সমস্যাগুলোর সমাধান আসবে বলে মন্তব্য করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দারিদ্র্য বিমোচন এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সুইজারল্যান্ড ও সুইডেন সরকারকে সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানা তিনি।

এ ছাড়া নারী শিক্ষা উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দাতা সংস্থাদের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।

সফররত দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইউএনডিপির বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ চাকমাসহ অন্য সফরসঙ্গী উপস্থিত ছিলেন।

সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের রাঙামাটি সফর

 রাঙামাটি প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের রাঙামাটি সফর
ছবি: যুগান্তর

পার্বত্য জেলা রাঙামাটি সফর করছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ড সরকারের রাষ্ট্রদূত নাথাইলে চুয়ার্ড এবং সুইডেন সরকারের রাষ্ট্রদূত আলেক্সান্ডার বার্জ ভন লিন্ডা। 

সফরের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন তারা। 

এর আগে প্রথম দিন বুধবার বিকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরীর সঙ্গে তার অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন তারা। 

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে উভয় দেশের রাষ্ট্রদূত বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এটি তাদের প্রথম সফর। তাদের সরকার বিভিন্ন দেশে জলবায়ু, মানবাধিকার, জেন্ডার বিষয়ে কাজ করে। এসব বিষয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে বুঝতে তাদের এ সফর। 

এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে গঠিত পার্বত্য পরিষদগুলো কীভাবে উন্নয়নমূলক কাজ করে এবং করোনাকালীন এখানকার মানুষ কীভাবে নিজেদের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করছে, সে বিষয়েও জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন তারা। 

এ সময় উভয় দেশের রাষ্ট্রদূতকে অভিনন্দন জানিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী বলেন, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর ইউএনডিপির মাধ্যমে বিদেশি দাতাদের সহায়তায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করছে। এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যে রাঙামাটি জেলার প্রত্যন্ত এলাকার স্কুলগুলো জাতীয়করণ, ম্যালেরিয়া নির্মূল এবং কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য এসেছে। 

সুইজারল্যান্ড ও সুইডেনের রাষ্ট্রদূতকে তিনি জানান, পার্বত্য শান্তিচুক্তি হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানের অংশ হিসাবে। এটি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তার ধারাবাহিকতায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, ভারত প্রত্যাগত ও অভ্যন্তরীণ উদ্বাস্তু সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স এবং ভূমি সমস্যা সমাধানে পার্বত্য ভূমি কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক ধীরগতির কারণে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠান সক্রিয়ভাবে শক্তিশালী হতে পারছে না। 

তবে শিগগির সমস্যাগুলোর সমাধান আসবে বলে মন্তব্য করে পার্বত্য চট্টগ্রামের দারিদ্র্য বিমোচন এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সুইজারল্যান্ড ও সুইডেন সরকারকে সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানা তিনি।

এ ছাড়া নারী শিক্ষা উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দাতা সংস্থাদের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি। 

সফররত দুই দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইউএনডিপির বাংলাদেশের আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জি, সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি প্রসেনজিৎ চাকমাসহ অন্য সফরসঙ্গী উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন