লক্ষ্মীপুরে খালে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার
jugantor
লক্ষ্মীপুরে খালে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

  লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০৭:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে ওয়াপদা খালের স্রোতে নিখোঁজ বাবুল হোসেন (৪৫) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার দীঘলি ইউনিয়নের পশ্চিম দীঘলি গ্রামে খালে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।

বাবুল ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর গ্রামের সঞ্জু মিয়া ছেলে ও সেতু নির্মাণশ্রমিক। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

এর আগে বুধবার সকাল ৬টার দিকে নির্মাণাধীন ওয়াপদা সেতুর কাজে ব্যবহৃত একটি ছোট ড্রাম উদ্ধার করতে গিয়ে বাবুল ডুবে গিয়ে স্রোতে তলিয়ে যায়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়েও ওই শ্রমিকের সন্ধান পায়নি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে আধাকিলোমিটার দূরে ইসলাম পাটওয়ারী বাড়ির সাঁকো এলাকায় তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের অভিযানিক দল ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক লিটন আহমেদ বলেন, মরদেহ ভেসে উঠেছে বলে স্থানীয়রা আমাদের খবর দেন। আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি একে ফজলুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। নিহতের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, ওয়াপদা খালের ওপর সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নুরজাহান এন্টারপ্রাইজ ওয়াপদা সেতু নির্মাণকাজটি পেয়েছেন। কয়েক মাস ধরেই নতুন সেতু নির্মাণে কাজ করছেন শ্রমিকরা।

বুধবার সকালে পাইলিং কাজ চলছিল। এ সময় একটি ছোট ড্রাম খালে পড়ে যায়। ড্রামটি উদ্ধার করতে বাবুল পানিতে নামে। প্রবল স্রোতে ড্রামটি টেনে আনলেও হাত থেকে ফসকে যায়। ফের ড্রামটি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করতে গেলে তিনি ডুবে গিয়ে স্রোতে হারিয়ে যান। এক সহকর্মী তখন তাকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়েও পারেননি।

লক্ষ্মীপুরে খালে নিখোঁজ শ্রমিকের লাশ উদ্ধার

 লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৩:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

লক্ষ্মীপুরে ওয়াপদা খালের স্রোতে নিখোঁজ বাবুল হোসেন (৪৫) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার দীঘলি ইউনিয়নের পশ্চিম দীঘলি গ্রামে খালে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস। 

বাবুল ময়মনসিংহ জেলার গৌরিপুর গ্রামের সঞ্জু মিয়া ছেলে ও সেতু নির্মাণশ্রমিক। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

এর আগে বুধবার সকাল ৬টার দিকে নির্মাণাধীন ওয়াপদা সেতুর কাজে ব্যবহৃত একটি ছোট ড্রাম উদ্ধার করতে গিয়ে বাবুল ডুবে গিয়ে  স্রোতে তলিয়ে যায়। 

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়েও ওই শ্রমিকের সন্ধান পায়নি। 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে আধাকিলোমিটার দূরে ইসলাম পাটওয়ারী বাড়ির সাঁকো এলাকায় তার মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের অভিযানিক দল ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। 

লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক লিটন আহমেদ বলেন, মরদেহ ভেসে উঠেছে বলে স্থানীয়রা আমাদের খবর দেন। আমাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। 

চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি একে ফজলুল হক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসেছি। নিহতের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

জানা গেছে, ওয়াপদা খালের ওপর সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাধীন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নুরজাহান এন্টারপ্রাইজ ওয়াপদা সেতু নির্মাণকাজটি পেয়েছেন। কয়েক মাস ধরেই নতুন সেতু নির্মাণে কাজ করছেন শ্রমিকরা। 

বুধবার সকালে পাইলিং কাজ চলছিল। এ সময় একটি ছোট ড্রাম খালে পড়ে যায়। ড্রামটি উদ্ধার করতে বাবুল পানিতে নামে। প্রবল স্রোতে ড্রামটি টেনে আনলেও হাত থেকে ফসকে যায়। ফের ড্রামটি উদ্ধারের জন্য চেষ্টা করতে গেলে তিনি ডুবে গিয়ে স্রোতে হারিয়ে যান। এক সহকর্মী তখন তাকে উদ্ধারের জন্য চেষ্টা চালিয়েও পারেননি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন