আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ, কথিত প্রেমিক গ্রেফতার
jugantor
আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ, কথিত প্রেমিক গ্রেফতার

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২১, ২০:৪৯:৫৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ছয় মাসের প্রেম। কিশোরীর মনে জমেছে প্রেমিকের প্রতি অগাধ বিশ্বাস। তাই বেড়ানোর অফার পেয়ে পরিবারকে ফাঁকি দিয়ে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে যায় কিশোরী। এ সুযোগে কিশোরীকে হোটেলে তুলে মেলামেশার ভিডিও ধারণ করে রাখে সুযোগ সন্ধানী প্রেমিক। সেটাই কিশোরীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে কথিত প্রেমিক ও তার এক বিবাহিত বন্ধু দিনের পর দিন ধর্ষণ করতে থাকে ওই কিশোরীতে। মানসিক ও শারীরিক যাতনা সইতে না পেরে মায়ের সহযোগিতায় অবশেষে আইনের জালে আটকা পড়েছে কথিত প্রেমিক ও তার বন্ধু।

কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের অফিসপাড়া থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ভোররাতে তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- অফিসপাড়ার মো. রফিকের ছেলে মো. আলমগীর (২২) ও মোহাম্মদ শাহ ঘোনার মোহাম্মদ হোছাইনের ছেলে মো. আনোয়ার (২৬)।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই জানান, উপজেলার এক কিশোরীর (১৫) সঙ্গে ছয় মাস আগে পার্শ্ববর্তী অফিসপাড়ার মো. আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে ভ্রমণের কথা বলে কথিত প্রেমিক আলমগীর ওই কিশোরীকে গত ১১ অক্টোবর চকরিয়া উপজেলার বদরখালীর বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তারা রাতযাপন করেন। সেদিনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য কিশোরীর অজান্তে মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন আলমগীর।

পুলিশ জানায়, ঘটনার কয়েক দিন পর সেদিনের ভিডিও চিত্রটি আলমগীরের কথিত বন্ধু মো. আনোয়ারকে দেখায়। সেই ভিডিওটি আনোয়ারও সংরক্ষণ করে রাখে। পরে ওই কিশোরীকে ভিডিও চিত্রের ভয় দিয়ে কুপ্রস্তাব দেয় আনোয়ার। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে লোকলজ্জার ভয়ে কিশোরী মেয়েটি রাজি হয়ে যায়। এভাবে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুজনেই।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতার দুইজনের মানসিক ও শারীরিক চাপ সইতে না পেরে একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনা তার মাকে খুলে বলেন। সর্বশেষ গত ২৬ অক্টোবর মহেশখালী থানায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে কথিত প্রেমিক আলমগীর ও আনোয়ারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

ওসি মো. আব্দুল হাই বলেন, কিশোরীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছি আমরা। আমাদের চাওয়া মেয়েরা যেন সুরক্ষিত থাকে। গ্রেফতার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

আপত্তিকর ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ, কথিত প্রেমিক গ্রেফতার

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ছয় মাসের প্রেম। কিশোরীর মনে জমেছে প্রেমিকের প্রতি অগাধ বিশ্বাস। তাই বেড়ানোর অফার পেয়ে পরিবারকে ফাঁকি দিয়ে প্রেমিকের সাথে ঘুরতে যায় কিশোরী। এ সুযোগে কিশোরীকে হোটেলে তুলে মেলামেশার ভিডিও ধারণ করে রাখে সুযোগ সন্ধানী প্রেমিক। সেটাই কিশোরীর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।

ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে কথিত প্রেমিক ও তার এক বিবাহিত বন্ধু দিনের পর দিন ধর্ষণ করতে থাকে ওই কিশোরীতে। মানসিক ও শারীরিক যাতনা সইতে না পেরে মায়ের সহযোগিতায় অবশেষে আইনের জালে আটকা পড়েছে কথিত প্রেমিক ও তার বন্ধু।

কক্সবাজারের মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের অফিসপাড়া থেকে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ভোররাতে তাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন- অফিসপাড়ার মো. রফিকের ছেলে মো. আলমগীর (২২) ও মোহাম্মদ শাহ ঘোনার মোহাম্মদ হোছাইনের ছেলে মো. আনোয়ার (২৬)।

ভুক্তভোগীর বরাত দিয়ে মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হাই জানান, উপজেলার এক কিশোরীর (১৫) সঙ্গে ছয় মাস আগে পার্শ্ববর্তী অফিসপাড়ার মো. আলমগীরের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে ভ্রমণের কথা বলে কথিত প্রেমিক আলমগীর ওই কিশোরীকে গত ১১ অক্টোবর চকরিয়া উপজেলার বদরখালীর বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তারা রাতযাপন করেন। সেদিনের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের দৃশ্য কিশোরীর অজান্তে মোবাইল ফোনে ধারণ করে রাখেন আলমগীর।

পুলিশ জানায়, ঘটনার কয়েক দিন পর সেদিনের ভিডিও চিত্রটি আলমগীরের কথিত বন্ধু মো. আনোয়ারকে দেখায়। সেই ভিডিওটি আনোয়ারও সংরক্ষণ করে রাখে। পরে ওই কিশোরীকে ভিডিও চিত্রের ভয় দিয়ে কুপ্রস্তাব দেয় আনোয়ার। প্রস্তাবে রাজি না হলে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে লোকলজ্জার ভয়ে কিশোরী মেয়েটি রাজি হয়ে যায়। এভাবে কিশোরীকে ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দুজনেই।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতার দুইজনের মানসিক ও শারীরিক চাপ সইতে না পেরে একপর্যায়ে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। পুরো ঘটনা তার মাকে খুলে বলেন। সর্বশেষ গত ২৬ অক্টোবর মহেশখালী থানায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে কথিত প্রেমিক আলমগীর ও আনোয়ারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।

ওসি মো. আব্দুল হাই বলেন, কিশোরীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া বিষয়টি খুবই গুরুত্বসহকারে দেখছি আমরা। আমাদের চাওয়া মেয়েরা যেন সুরক্ষিত থাকে। গ্রেফতার দুইজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ আচরণ করার পরামর্শ দেন তিনি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন