বান্ধবীর নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে বিড়ম্বনায়
jugantor
বান্ধবীর নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে বিড়ম্বনায়

  হবিগঞ্জ প্রতিনিধি  

৩০ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২৭:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্ধবীর নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে জমা থাকা ৭২ হাজার টাকা খুইয়েছিলেন এক তরুণী। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে সেই টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় এ ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী তরুণী বিলকিস আক্তার (২৩) উপজেলার নিজগাঁও গ্রামের আব্দুল গফুরের মেয়ে।

শুক্রবার বাহুবল মডেল থানা পুলিশ টাকা উদ্ধার করে তার কাছে হস্তান্তর করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিলকিস ও সুনামগঞ্জের দত্তপাড়া এলাকার আলী আকবরের মেয়ে সাদিয়া বেগম একসঙ্গে চট্টগ্রামে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতেন। দুইজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠলে সাদিয়ার আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে একটি সিমকার্ড কেনেন বিলকিস। চার বছর ধরে তিনি সিমকার্ডটি ব্যবহার করছেন। এতে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের হিসাব খোলেন।

কিছুদিন আগে বিলকিসের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ৭২ হাজার টাকা জমা থাকার খবর জানতে পারেন সাদিয়া। সিমকার্ডটি যেহেতু সাদিয়ার নামে নিবন্ধিত, সেই সুযোগ নিয়ে তিনি গ্রাহকসেবায় অভিযোগ দিয়ে সেটি বন্ধ করে দেন।

এরপর নতুন করে সিমকার্ডটি উত্তোলন করে বিকাশের টাকাগুলো হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

এদিকে হঠাৎ সিমকার্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাদিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাননি বিলকিস। এ বিষয়ে গত ২৩ অক্টোবর তিনি বাহুবল মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ বিকাশের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টি জানালে তারা ব্যবস্থা নেন।

বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার ৭২ হাজার টাকা বাহুবল মডেল থানায় আসে। পরে পুলিশ বিলকিসের কাছে টাকাগুলো হস্তান্তর করে।

বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম খান জানান, সাদিয়ার নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে বিপাকে পড়েছিলেন বিলকিস আক্তার। বিকাশের সহায়তা নিয়ে পুলিশ টাকাগুলো উদ্ধার করেছে। তবে প্রতারণা চেষ্টাকারী তরুণী পলাতক রয়েছে।

বান্ধবীর নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে বিড়ম্বনায়

 হবিগঞ্জ প্রতিনিধি 
৩০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বান্ধবীর নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে জমা থাকা ৭২ হাজার টাকা খুইয়েছিলেন এক তরুণী। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হলে সেই টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় এ ঘটনাটি ঘটে। 

ভুক্তভোগী তরুণী বিলকিস আক্তার (২৩) উপজেলার নিজগাঁও গ্রামের আব্দুল গফুরের মেয়ে।

শুক্রবার বাহুবল মডেল থানা পুলিশ টাকা উদ্ধার করে তার কাছে হস্তান্তর করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিলকিস ও সুনামগঞ্জের দত্তপাড়া এলাকার আলী আকবরের মেয়ে সাদিয়া বেগম একসঙ্গে চট্টগ্রামে একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করতেন। দুইজনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে উঠলে সাদিয়ার আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে একটি সিমকার্ড কেনেন বিলকিস। চার বছর ধরে তিনি সিমকার্ডটি ব্যবহার করছেন। এতে মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের হিসাব খোলেন।

কিছুদিন আগে বিলকিসের মোবাইল ব্যাংকিং হিসাবে ৭২ হাজার টাকা জমা থাকার খবর জানতে পারেন সাদিয়া। সিমকার্ডটি যেহেতু সাদিয়ার নামে নিবন্ধিত, সেই সুযোগ নিয়ে তিনি গ্রাহকসেবায় অভিযোগ দিয়ে সেটি বন্ধ করে দেন। 

এরপর নতুন করে সিমকার্ডটি উত্তোলন করে বিকাশের টাকাগুলো হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। 

এদিকে হঠাৎ সিমকার্ড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাদিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাননি বিলকিস। এ বিষয়ে গত ২৩ অক্টোবর তিনি বাহুবল মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ বিকাশের গ্রাহকসেবা কেন্দ্রে গিয়ে বিষয়টি জানালে তারা ব্যবস্থা নেন। 

বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার ৭২ হাজার টাকা বাহুবল মডেল থানায় আসে। পরে পুলিশ বিলকিসের কাছে টাকাগুলো হস্তান্তর করে।

বাহুবল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম খান জানান, সাদিয়ার নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড ব্যবহার করে বিপাকে পড়েছিলেন বিলকিস আক্তার। বিকাশের সহায়তা নিয়ে পুলিশ টাকাগুলো উদ্ধার করেছে। তবে প্রতারণা চেষ্টাকারী তরুণী পলাতক রয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন