পাওনা টাকা চাওয়ায় মারধর, কতবেল বিক্রেতা নিহত
jugantor
পাওনা টাকা চাওয়ায় মারধর, কতবেল বিক্রেতা নিহত

  বাগেরহাট প্রতিনিধি  

৩০ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৮:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটে কতবেল বিক্রির টাকা চাওয়ায় রুস্তম বেপারি নামে এক ফল বিক্রেতাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনে বারাকপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রুস্তম বেপারি বাগেরহাট সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা এলাকার মৃত হাতেম আলীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুস্তম ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনে কতবেল বিক্রি করতেন। স্থানীয় মো. ফিরোজের মেয়ে রুস্তমের কাছ থেকে বাকিতে কতবেল নেয়। পরে কতবেলের টাকা চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজ ও হামজা রুস্তমকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় রুস্তমকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইসহাক মিয়া বলেন, দুইজন লোক মৃত অবস্থায় রুস্তম বেপারি নামের একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মাহমুদ হাসান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।

পাওনা টাকা চাওয়ায় মারধর, কতবেল বিক্রেতা নিহত

 বাগেরহাট প্রতিনিধি 
৩০ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বাগেরহাটে কতবেল বিক্রির টাকা চাওয়ায় রুস্তম বেপারি নামে এক ফল বিক্রেতাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনে বারাকপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। 

নিহত রুস্তম বেপারি বাগেরহাট সদর উপজেলার সুন্দরঘোনা এলাকার মৃত হাতেম আলীর ছেলে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রুস্তম ষাটগম্বুজ মসজিদের সামনে কতবেল বিক্রি করতেন। স্থানীয় মো. ফিরোজের মেয়ে রুস্তমের কাছ থেকে বাকিতে কতবেল নেয়। পরে কতবেলের টাকা চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে ফিরোজ ও হামজা রুস্তমকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় রুস্তমকে বাগেরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাগেরহাট সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. ইসহাক মিয়া বলেন, দুইজন লোক মৃত অবস্থায় রুস্তম বেপারি নামের একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ মাহমুদ হাসান বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। আসামিরা পলাতক রয়েছে। তাদের আটক করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। 
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন