স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ
jugantor
স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ

  রাজশাহী ব্যুরো  

৩০ অক্টোবর ২০২১, ২০:৩৮:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ও পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী চাঁন্দ অভিযোগে বলেন, শুক্রবার রাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহা. সানাউল্লাহর নেতাকর্মীরা ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম দিয়াড় মানিকচক গ্রামে তার চশমা প্রতীকের একটি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তার কর্মী-সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

তিনি শনিবার গোদাগাড়ী থানায় অভিযোগ করেছেন। রোববার রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন। তবে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহা. সানাউল্লাহ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উল্লেখ্য, গোদাগাড়ীর চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী নেই। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ বিএনপি থেকে দলে আসা মোহা. সানাউল্লাহকে সমর্থন দিচ্ছেন।

অন্যদিকে গোদাগাড়ীর বাসুদেবপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম বিভিন্ন এলাকায় তার মোটরসাইকেল প্রতীকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, নৌকার প্রার্থী শফিকুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা রাতের আঁধারে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে লাগানো তার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছেন। তিনিও রোববার রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত শফিকুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

এদিকে মাটিকাটা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দুই সদস্য পদপ্রার্থী সিরাজ ও নুরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার। তারাও পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রচারণায় বাধাদানের অভিযোগ করেছেন।

এদিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মশিউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, আগামী ১১ নভেম্বর গোদাগাড়ীর ৯ ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ

 রাজশাহী ব্যুরো 
৩০ অক্টোবর ২০২১, ০৮:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর অগ্নিসংযোগ ও পোস্টার ছেঁড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আলী চাঁন্দ অভিযোগে বলেন, শুক্রবার রাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহা. সানাউল্লাহর নেতাকর্মীরা ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম দিয়াড় মানিকচক গ্রামে তার চশমা প্রতীকের একটি নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ করে পুড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তার কর্মী-সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। 

তিনি শনিবার গোদাগাড়ী থানায় অভিযোগ করেছেন। রোববার রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন। তবে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহা. সানাউল্লাহ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

উল্লেখ্য, গোদাগাড়ীর চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের কোনো প্রার্থী নেই। আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের একটি অংশ বিএনপি থেকে দলে আসা মোহা. সানাউল্লাহকে সমর্থন দিচ্ছেন।  

অন্যদিকে গোদাগাড়ীর বাসুদেবপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম বিভিন্ন এলাকায় তার মোটরসাইকেল প্রতীকের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, নৌকার প্রার্থী শফিকুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা রাতের আঁধারে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে লাগানো তার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলেছেন। তিনিও রোববার রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেবেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত শফিকুল ইসলাম এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। 

এদিকে মাটিকাটা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের দুই সদস্য পদপ্রার্থী সিরাজ ও নুরুল ইসলামের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার। তারাও পরস্পরের বিরুদ্ধে প্রচারণায় বাধাদানের অভিযোগ করেছেন। 

এদিকে উপজেলা নির্বাচন অফিসার মশিউর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, আগামী ১১ নভেম্বর গোদাগাড়ীর ৯ ইউনিয়নে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন