পুলিশের চাকরি নিতে এসে কারাগারে তারা
jugantor
পুলিশের চাকরি নিতে এসে কারাগারে তারা

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

৩১ অক্টোবর ২০২১, ২০:০৪:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম দিনে আবেদনে জালিয়াতির ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ। পরে আটকদের বিরুদ্ধে কাগজপত্র জালিয়াতির ঘটনায় মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার জেলা পুলিশ লাইনস মাঠ ও পূর্বধলা উপজেলা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুইজন হলেন- জুবায়েদ ইসলাম রাতুল (১৯) ও চঞ্চল মিয়া (১৮)।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কাগজপত্র যাচাইয়ে রাতুলের ফিজিক্যাল অ্যানডিউরেন্স টেস্টের (পিইটি) প্রবেশপত্রে গরমিল পায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা। প্রবেশপত্রে তার নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ, এসএসসির ফল, উচ্চতা ও ওজনের সঙ্গে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পাঠানো তথ্যের গরমিল পাওয়া যায়।

পরে রাতুলের মোবাইলের মেসেজ যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিন্ন একটি মোবাইল নম্বর (যা চঞ্চল নামের ব্যক্তি ব্যবহার করেন) থেকে তার পরীক্ষা-সংক্রান্ত মেসেজ এসেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জুবায়েদ ইসলাম রাতুল জানান, তিনি পূর্বধলা স্টেশন রোডের চঞ্চলের দোকান থেকে আবেদন করেছেন। পরে তাকে ও চঞ্চলকে আটক করা হয়। ভুয়া আবেদনকারী রাতুলের প্রবেশপত্র ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ভুয়া পিইটি প্রবেশপত্র প্রস্তুতকারী চঞ্চলের কম্পিউটার ও মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাদের কাগজপত্রে গরমিল পাওয়া গেছে। কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আটক ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে আটককৃতদের শনিবার বিকালে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

পুলিশের চাকরি নিতে এসে কারাগারে তারা

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
৩১ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পুলিশের ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ পরীক্ষার প্রথম দিনে আবেদনে জালিয়াতির ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ। পরে আটকদের বিরুদ্ধে কাগজপত্র জালিয়াতির ঘটনায় মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে শনিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, শুক্রবার জেলা পুলিশ লাইনস মাঠ ও পূর্বধলা উপজেলা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক দুইজন হলেন- জুবায়েদ ইসলাম রাতুল (১৯) ও চঞ্চল মিয়া (১৮)।

নিয়োগ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে কাগজপত্র যাচাইয়ে রাতুলের ফিজিক্যাল অ্যানডিউরেন্স টেস্টের (পিইটি) প্রবেশপত্রে গরমিল পায় কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তারা। প্রবেশপত্রে তার নাম, বাবার নাম, জন্ম তারিখ, এসএসসির ফল, উচ্চতা ও ওজনের সঙ্গে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে পাঠানো তথ্যের গরমিল পাওয়া যায়।

পরে রাতুলের মোবাইলের মেসেজ যাচাইয়ে দেখা যায়, ভিন্ন একটি মোবাইল নম্বর (যা চঞ্চল নামের ব্যক্তি ব্যবহার করেন) থেকে তার পরীক্ষা-সংক্রান্ত মেসেজ এসেছে।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে জুবায়েদ ইসলাম রাতুল জানান, তিনি পূর্বধলা স্টেশন রোডের চঞ্চলের দোকান থেকে আবেদন করেছেন। পরে তাকে ও চঞ্চলকে আটক করা হয়। ভুয়া আবেদনকারী রাতুলের প্রবেশপত্র ও ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ভুয়া পিইটি প্রবেশপত্র প্রস্তুতকারী চঞ্চলের কম্পিউটার ও মোবাইল জব্দ করা হয়েছে।

নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. আকবর আলী মুন্সি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তাদের কাগজপত্রে গরমিল পাওয়া গেছে। কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আটক ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। পরে আটককৃতদের শনিবার বিকালে আদালতে পাঠানো হলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন