প্রকাশ্যে লাঠিপেটা, অপমানে নারীর আত্মহত্যাচেষ্টা
jugantor
প্রকাশ্যে লাঠিপেটা, অপমানে নারীর আত্মহত্যাচেষ্টা

  ফেনী প্রতিনিধি  

০২ নভেম্বর ২০২১, ০১:৩৯:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনী সদর উপজেলার বাঁলিগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে লাঠিপেটার অপমান সইতে না পেরে খোদেজা বেগম (৫৫) এক নারী বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। আহত নারী ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক আবুল খায়ের মিয়াজি যুগান্তরকে বিষপানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার কারণে বৃদ্ধার অবস্থা উন্নতি হয়েছে।

জানা যায়, রোববার বাঁলিগাও ইউনিয়নে মা ও ছেলের মাঝে পারিবারিক বিরোধ ও সম্পত্তি ভাগাভাগি বিষয়ক এক ইউনিয়ন পরিষদে সালিশে একতরফা রায় শুনলে ছেলের মা খোজেদা বেগম রায় মেনে নিতে না চাননি। ইউপি বিচারকরা রায় মেনে নেওয়ার জন্য হুমকি ধমকি দেয়।

এতে খোদেজা সঠিক বিচার চাইতে থাকলে চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বাহার তার সাঙ্গদের খোদেজাকে পিটানোর নির্দেশ দেয়। সাঙ্গরা নির্দেশ মোতাবেক খোদেজার বিভিন্ন অঙ্গে লাঠি দিয়ে জখম করে। তাতেও খোদেজা একতরফা রায় মেনে নেননি। পরে খোদেজার স্বামী তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে।

সন্ধ্যা রাতে খোদেজা চেয়ারম্যান রাহারের কাছে সঠিক বিচার না পাওয়া ও প্রকাশ্যে সবার সামনে লাঠিপেটার কারণে অপমানে আত্মহত্যার ঘোষণা দিয়ে রাতে বিষপান করে। তাৎক্ষণিক বিষের গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা খোদেজাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করিয়ে দেন।

এই বিষয়ে চেয়ারম্যান বাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করে বলেন, আমি মা-ছেলের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে দুইজনকেই বকাবকি করেছি।

প্রকাশ্যে লাঠিপেটা, অপমানে নারীর আত্মহত্যাচেষ্টা

 ফেনী প্রতিনিধি 
০২ নভেম্বর ২০২১, ০১:৩৯ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনী সদর উপজেলার বাঁলিগাও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে লাঠিপেটার অপমান সইতে না পেরে খোদেজা বেগম (৫৫) এক নারী বিষপানে আত্মহত্যা চেষ্টা করেছেন।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। আহত নারী ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ফেনী জেনারেল হাসপাতালে তত্ত্বাবধায়ক আবুল খায়ের মিয়াজি যুগান্তরকে বিষপানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দ্রুত চিকিৎসা দেওয়ার কারণে বৃদ্ধার অবস্থা উন্নতি হয়েছে।

জানা যায়, রোববার বাঁলিগাও ইউনিয়নে মা ও ছেলের মাঝে পারিবারিক বিরোধ ও সম্পত্তি ভাগাভাগি বিষয়ক এক ইউনিয়ন পরিষদে সালিশে একতরফা রায় শুনলে ছেলের মা খোজেদা বেগম রায় মেনে নিতে না চাননি। ইউপি বিচারকরা রায় মেনে নেওয়ার জন্য হুমকি ধমকি দেয়।

এতে খোদেজা সঠিক বিচার চাইতে থাকলে চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক বাহার তার সাঙ্গদের খোদেজাকে পিটানোর নির্দেশ দেয়। সাঙ্গরা নির্দেশ মোতাবেক খোদেজার বিভিন্ন অঙ্গে লাঠি দিয়ে জখম করে। তাতেও খোদেজা একতরফা রায় মেনে নেননি। পরে খোদেজার স্বামী তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে।

সন্ধ্যা রাতে খোদেজা চেয়ারম্যান রাহারের কাছে সঠিক বিচার না পাওয়া ও প্রকাশ্যে সবার সামনে লাঠিপেটার কারণে অপমানে আত্মহত্যার ঘোষণা দিয়ে রাতে বিষপান করে। তাৎক্ষণিক বিষের গন্ধ চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা খোদেজাকে উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করিয়ে দেন।

এই বিষয়ে চেয়ারম্যান বাহারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি সঠিক নয় বলে মন্তব্য করে বলেন, আমি মা-ছেলের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নে দুইজনকেই বকাবকি করেছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন