স্বীকৃতি পাননি স্ত্রী, ধর্ম পরিবর্তন করা সেই স্বামী শ্রীঘরে
jugantor
স্বীকৃতি পাননি স্ত্রী, ধর্ম পরিবর্তন করা সেই স্বামী শ্রীঘরে

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০২ নভেম্বর ২০২১, ১৮:১৭:৪৬  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে আত্মহত্যার চেষ্টা আর অনশনের পরেও স্ত্রীর স্বীকৃতি মেলেনি গার্মেন্টকর্মী এক তরুণীর। অবশেষে স্ত্রীর ধর্ষণ, অবৈধ গর্ভপাত, বিশ্বাস ভঙ্গ ও সাধারণ জখমের মামলার প্রেক্ষিতে সেই স্বামী তাপস চন্দ্র বিশ্বাসকে পুলিশ মঙ্গলবার শ্রীঘরে পাঠায়।

সোমবার তাকে গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই গার্মেন্টকর্মী তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

তাপস চন্দ্র উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের কেশজানি গ্রামের সুধাংশু বিশ্বাসের ছেলে।

তাপস চন্দ্র বিশ্বাস নিজের ধর্ম ও পরিচয় গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক মুসলিম এই তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের ৩ বছর সংসার করার পর এখন স্ত্রীর মর্যাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ওই তরুণী। এরপরও স্বামীর মন গলেনি।

অবশেষে সোমবার রাতে ওই তরুণী ধর্ষণ ও বিশ্বাস ভঙ্গের মামলা দায়ের করলে তাপস চন্দ্র বিশ্বাসকে গ্রেফতার দেখি মঙ্গলবার নেত্রকোনা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। ওই তরুণীর বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলায়।

মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, সোমবার রাতে ধর্ষণ, অবৈধ গর্ভপাত, বিশ্বাস ভঙ্গ ও সাধারণ জখমের অভিযোগ এনে ওই তরুণী তাপস চন্দ্র বিশ্বাস ও তার ভগিনীপতি রঞ্জিতকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় তাপস চন্দ্র বিশ্বাসকে মঙ্গলবার নেত্রকোনা কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

স্বীকৃতি পাননি স্ত্রী, ধর্ম পরিবর্তন করা সেই স্বামী শ্রীঘরে

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০২ নভেম্বর ২০২১, ০৬:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার মদনে আত্মহত্যার চেষ্টা আর অনশনের পরেও স্ত্রীর স্বীকৃতি মেলেনি গার্মেন্টকর্মী এক তরুণীর। অবশেষে স্ত্রীর ধর্ষণ, অবৈধ গর্ভপাত, বিশ্বাস ভঙ্গ ও সাধারণ জখমের মামলার প্রেক্ষিতে সেই স্বামী তাপস চন্দ্র বিশ্বাসকে পুলিশ মঙ্গলবার শ্রীঘরে পাঠায়।

সোমবার তাকে গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই গার্মেন্টকর্মী তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

তাপস চন্দ্র উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের কেশজানি গ্রামের সুধাংশু বিশ্বাসের ছেলে।

তাপস চন্দ্র বিশ্বাস নিজের ধর্ম ও পরিচয় গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক মুসলিম এই তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের ৩ বছর সংসার করার পর এখন স্ত্রীর মর্যাদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ওই তরুণী। এরপরও স্বামীর মন গলেনি।

অবশেষে সোমবার রাতে ওই তরুণী ধর্ষণ ও বিশ্বাস ভঙ্গের মামলা দায়ের করলে তাপস চন্দ্র বিশ্বাসকে গ্রেফতার দেখি মঙ্গলবার নেত্রকোনা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। ওই তরুণীর বাড়ি শেরপুর সদর উপজেলায়।

মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, সোমবার রাতে ধর্ষণ, অবৈধ গর্ভপাত, বিশ্বাস ভঙ্গ ও সাধারণ জখমের অভিযোগ এনে ওই তরুণী তাপস চন্দ্র বিশ্বাস ও তার ভগিনীপতি রঞ্জিতকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ মামলায় তাপস চন্দ্র বিশ্বাসকে মঙ্গলবার নেত্রকোনা কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন