একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতকের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু
jugantor
একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতকের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু

  কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি  

০৩ নভেম্বর ২০২১, ২২:২০:১৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একসঙ্গে জন্ম নেয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জন্ম নেওয়ার ২৭ ঘণ্টার মধ্যে এক ছেলে ও দুই মেয়ে মারা যায়। বর্তমানে জীবিত দুটি মেয়ে শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পাঁচ শিশুর জন্মদাত্রী মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের (আরএমও) চিকিৎসক আশরাফুল আলম জানান, একই সঙ্গে জন্ম নেয়া পাঁচটি শিশুর মধ্যে ছেলে শিশুটি সকালে মারা যায়। বাচ্চাটির ওজন ছিল ৪৩০ গ্রাম এবং পরবর্তীতে দুটি মেয়ে শিশু মারা গেছে তাদের ওজনও ৫০০ গ্রামের বেশি ছিল না। তবে বর্তমানে জীবিত দুটি মেয়ে শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।

মঙ্গলবার জন্ম নেয়া পাঁচ সন্তানের মধ্যে বুধবার তিনটি সন্তান মারা যাওয়ায় দুঃখ ভারাক্রান্ত বাবা সোহেল রানা জানান, সন্তান জন্মের পরপরই চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী অথবা ঢাকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি একজন চা বিক্রেতা। আমার পক্ষে এত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। হয়তো উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করাতে পারলে আমার সব শিশুই বেঁচে থাকত।

একই সঙ্গে জন্ম নেওয়া পাঁচ নবজাতকের মধ্যে ৩ জনের মৃত্যু

 কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি 
০৩ নভেম্বর ২০২১, ১০:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একসঙ্গে জন্ম নেয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জন্ম নেওয়ার ২৭ ঘণ্টার মধ্যে এক ছেলে ও দুই মেয়ে মারা যায়। বর্তমানে জীবিত দুটি মেয়ে শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে পাঁচ শিশুর জন্মদাত্রী মায়ের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের (আরএমও) চিকিৎসক আশরাফুল আলম জানান, একই সঙ্গে জন্ম নেয়া পাঁচটি শিশুর মধ্যে ছেলে শিশুটি সকালে মারা যায়। বাচ্চাটির ওজন ছিল ৪৩০ গ্রাম এবং পরবর্তীতে দুটি মেয়ে শিশু মারা গেছে তাদের ওজনও ৫০০ গ্রামের বেশি ছিল না। তবে বর্তমানে জীবিত দুটি মেয়ে শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। 

মঙ্গলবার  জন্ম নেয়া পাঁচ সন্তানের মধ্যে বুধবার তিনটি সন্তান মারা যাওয়ায় দুঃখ ভারাক্রান্ত বাবা সোহেল রানা জানান, সন্তান জন্মের পরপরই চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী অথবা ঢাকা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু আমি একজন চা বিক্রেতা। আমার পক্ষে এত ব্যয়বহুল চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়নি। হয়তো উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করাতে পারলে আমার সব শিশুই বেঁচে থাকত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন