পরকীয়ার কারণেই চাচাকে হত্যা করেন রূপম
jugantor
পরকীয়ার কারণেই চাচাকে হত্যা করেন রূপম

  বগুড়া ব্যুরো  

০৪ নভেম্বর ২০২১, ২১:৪০:০০  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার পালশার ড্রাইভার হাসান সরকার (৫০) হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি ভাতিজা রূপম সরকারকে (৩৪) ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রূপম হত্যার দায় স্বীকার করে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিকের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে এ ঘটনার অপর আসামি রূপমের স্ত্রী খুশী বেগম (২৭) এখনো পলাতক রয়েছেন।

উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আব্দুর রশিদ জানান, বিবাহিত চাচাতো বোনের সঙ্গে বিবাহিত রূপম সরকারের পরকীয়া প্রেম ছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ বাধে। এ নিয়ে এলাকায় সালিশ বৈঠকও বসে। কিন্তু সালিশ বৈঠকে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায় দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ লেগেই থাকে।

তিনি জানান, এর জের ধরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদরের পালশা এলাকায় হাসান সরকারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় রূপম। এতে গুরুতর আহত হলে লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ৯টার দিকে হাসান সরকার মারা যান।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই রূপম ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গত বুধবার ঢাকার টিকাটুলিতে অভিযান চালিয়ে রূপমকে গ্রেফতার করে বগুড়ায় আনা হয়।

পরকীয়ার কারণেই চাচাকে হত্যা করেন রূপম

 বগুড়া ব্যুরো 
০৪ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৪০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার পালশার ড্রাইভার হাসান সরকার (৫০) হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান আসামি ভাতিজা রূপম সরকারকে (৩৪) ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রূপম হত্যার দায় স্বীকার করে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ শাহরিয়ার তারিকের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।

পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে এ ঘটনার অপর আসামি রূপমের স্ত্রী খুশী বেগম (২৭) এখনো পলাতক রয়েছেন।

উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর আব্দুর রশিদ জানান, বিবাহিত চাচাতো বোনের সঙ্গে বিবাহিত রূপম সরকারের পরকীয়া প্রেম ছিল। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ বাধে। এ নিয়ে এলাকায় সালিশ বৈঠকও বসে। কিন্তু সালিশ বৈঠকে বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায় দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ লেগেই থাকে।

তিনি জানান, এর জের ধরে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সদরের পালশা এলাকায় হাসান সরকারকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপায় রূপম। এতে গুরুতর আহত হলে লোকজন তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ৯টার দিকে হাসান সরকার মারা যান।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পর থেকেই রূপম ঢাকায় আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গত বুধবার ঢাকার টিকাটুলিতে অভিযান চালিয়ে রূপমকে গ্রেফতার করে বগুড়ায় আনা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন