লালমাইয়ে ভুয়া ডিগ্রির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ
jugantor
লালমাইয়ে ভুয়া ডিগ্রির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ

  লালমাই (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৫ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৪:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ভুয়া ডিগ্রির সাইনবোর্ড

লালমাই উপজেলার বাগমারা ইউনিয়নের বাগমারাবাজারে সাইনবোর্ডে পিডিটি ভুয়া ডিগ্রি, অর্থোপেডিক্স সার্জারি, মা ও শিশু রোগের অভিজ্ঞ, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এসব লিখে নিয়মিত নিজস্ব চেম্বার খুলে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন ডা. রবিউল আলম নামে এক ব্যক্তি।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, এসএসসি পাসের পরবর্তী চার বছরের মেডিকেল সহকারী (ম্যাটস) কোর্স (ডিএমএফ) ছাড়া আর কোনো ডিগ্রি নেই তার। অন্যসব ডিগ্রি, অভিজ্ঞতা এবং সার্জারির জন্য বিএমডিসির অনুমোদন ব্যতীত কোনো ডিগ্রি লেখার সুযোগ নেই। পিডিটি কোনো বিএমডিসির অনুমোদিত ডিগ্রি নয়। রোগীদের বোকা বানিয়ে টাকা রোজগারের সুযোগ তৈরি করাই এ ব্যক্তির মূল উদ্দেশ্য।

বর্তমানে তিনি বাগমারা উপ-স্ব্যাস্থ্যকেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার পদে কর্মরত আছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে— তিনি নিয়মিত অফিস করেন না এবং যারা সরকারি চিকিৎসার উদ্দেশে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান সেসব রোগীকে তিনি ফি নিয়ে তার চেম্বারে দেখেন।

এ বিষয়ে ডা. রবিউল আলম বলেন, বিএমডিসির নিয়ম মেনেই সব করছেন। ডিগ্রি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি এড়িয়ে যান।

বাগমারা আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রওনাক জাহান বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’

উপজেলা স্ব্যাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুর রহমান বলেন, ‘এমন ডিগ্রি, অভিজ্ঞতা কেন লিখলেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা চাওয়া ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লালমাইয়ে ভুয়া ডিগ্রির সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রোগী দেখার অভিযোগ

 লালমাই (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৫ নভেম্বর ২০২১, ১১:৩৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ভুয়া ডিগ্রির সাইনবোর্ড
ছবি-যুগান্তর

লালমাই উপজেলার বাগমারা ইউনিয়নের বাগমারাবাজারে সাইনবোর্ডে পিডিটি ভুয়া ডিগ্রি, অর্থোপেডিক্স সার্জারি, মা ও শিশু রোগের অভিজ্ঞ, উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার এসব লিখে নিয়মিত নিজস্ব চেম্বার খুলে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন ডা. রবিউল আলম নামে এক ব্যক্তি। 

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, এসএসসি পাসের পরবর্তী চার বছরের মেডিকেল সহকারী (ম্যাটস) কোর্স (ডিএমএফ) ছাড়া আর কোনো ডিগ্রি নেই তার। অন্যসব ডিগ্রি, অভিজ্ঞতা এবং সার্জারির জন্য বিএমডিসির অনুমোদন ব্যতীত কোনো ডিগ্রি লেখার সুযোগ নেই। পিডিটি কোনো বিএমডিসির অনুমোদিত ডিগ্রি নয়। রোগীদের বোকা বানিয়ে টাকা রোজগারের সুযোগ তৈরি করাই এ ব্যক্তির মূল উদ্দেশ্য। 

বর্তমানে তিনি বাগমারা উপ-স্ব্যাস্থ্যকেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার পদে কর্মরত আছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে— তিনি নিয়মিত অফিস করেন না এবং যারা সরকারি চিকিৎসার উদ্দেশে উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান সেসব রোগীকে তিনি ফি নিয়ে তার চেম্বারে দেখেন।

এ বিষয়ে ডা. রবিউল আলম বলেন, বিএমডিসির নিয়ম মেনেই সব করছেন। ডিগ্রি সম্পর্কে প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি এড়িয়ে যান।

বাগমারা আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) রওনাক জাহান বলেন, ‘এ বিষয়টি আমার ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য।’ 

উপজেলা স্ব্যাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুর রহমান  বলেন, ‘এমন ডিগ্রি, অভিজ্ঞতা কেন লিখলেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা চাওয়া ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন