টিকা নিতে আসা যুবককে পেটালেন হাসপাতাল কর্মীরা
jugantor
টিকা নিতে আসা যুবককে পেটালেন হাসপাতাল কর্মীরা

  উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি  

০৭ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৪১:০৬  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মীদের বিরুদ্ধে করোনার টিকা নিতে আসা এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই যুবক অসুস্থ হওয়ার পরও তাকে হাসপাতালের একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়।

রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা নিতে আসা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার বেলা ১১টার দিকে দলদলিয়া ইউনিয়নের উত্তর কদমতলা গ্রামের আশফারুজ্জামানের ছেলে আশিকুর জামান শিহাবসহ (২৫) সহস্রাধিক মানুষ করোনার টিকা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় অসংখ্য মানুষের চাপে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে হাসপাতালের এক কর্মী লাইন সোজা করতে গিয়ে জোরে ধাক্কা দিলে ওই যুবকসহ কয়েকজন মাটিতে পড়ে যান।

এ ঘটনায় যুবক মাটি থেকে উঠে ওই কর্মীর সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে লিপ্ত হন। এ সময় কমপ্লেক্সের ভিতর থেকে আরও কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মী এসে ওই যুবককে টেনেহিঁচড়ে কমপ্লেক্স ভবনের ভিতরে নিয়ে মারধর করেন। এতে ওই যুবক অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাকে হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।

টিকা নিতে এসে মারধরের শিকার আশিকুর জামান শিহাব বলেন, আমি লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। একজন এসে আমাকেসহ কয়েকজনকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। আমি এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাকে টেনেহিঁচড়ে ভিতরে নিয়ে মারধর শুরু করে। এতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা আমাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

শিহাবের পিতা আশফারুজ্জামান জানান, আমার ছেলেকে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মী ভিতরে নিয়ে প্রচণ্ড মারপিট করতে থাকে। তা দেখে আমি লাইন থেকে বেড়িয়ে ভিতরে ঢুকে তাদের হাত থেকে আমার ছেলেকে উদ্ধার করি। এরপরও তারা আমার ছেলেকে একটি কক্ষে নিয়ে আটক করে রাখে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার জানান, স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই যুবকে মারধর করেননি। তিনি দাবি করেন, ওই ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। ছেলেটিকে আটকে রাখা হয়নি। তার পিতার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

টিকা নিতে আসা যুবককে পেটালেন হাসপাতাল কর্মীরা

 উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
০৭ নভেম্বর ২০২১, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মীদের বিরুদ্ধে করোনার টিকা নিতে আসা এক যুবককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এতে ওই যুবক অসুস্থ হওয়ার পরও তাকে হাসপাতালের একটি কক্ষে আটক করে রাখা হয়।

রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এ ঘটনা ঘটে।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনার টিকা নিতে আসা কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রোববার বেলা ১১টার দিকে দলদলিয়া ইউনিয়নের উত্তর কদমতলা গ্রামের আশফারুজ্জামানের ছেলে আশিকুর জামান শিহাবসহ (২৫) সহস্রাধিক মানুষ করোনার টিকা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন। এ সময় অসংখ্য মানুষের চাপে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে হাসপাতালের এক কর্মী লাইন সোজা করতে গিয়ে জোরে ধাক্কা দিলে ওই যুবকসহ কয়েকজন মাটিতে পড়ে যান।

এ ঘটনায় যুবক মাটি থেকে উঠে ওই কর্মীর সঙ্গে কথাকাটাকাটিতে লিপ্ত হন। এ সময় কমপ্লেক্সের ভিতর থেকে আরও কয়েকজন স্বাস্থ্য কর্মী এসে ওই যুবককে টেনেহিঁচড়ে কমপ্লেক্স ভবনের ভিতরে নিয়ে মারধর করেন। এতে ওই যুবক অসুস্থ হয়ে পড়লেও তাকে হাসপাতালের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।

টিকা নিতে এসে মারধরের শিকার আশিকুর জামান শিহাব বলেন, আমি লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। একজন এসে আমাকেসহ কয়েকজনকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। আমি এর প্রতিবাদ করায় তারা আমাকে টেনেহিঁচড়ে ভিতরে নিয়ে মারধর শুরু করে। এতে আমি অসুস্থ হয়ে পড়লে তারা আমাকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

শিহাবের পিতা আশফারুজ্জামান জানান, আমার ছেলেকে হাসপাতালের কয়েকজন কর্মী ভিতরে নিয়ে প্রচণ্ড মারপিট করতে থাকে। তা দেখে আমি লাইন থেকে বেড়িয়ে ভিতরে ঢুকে তাদের হাত থেকে আমার ছেলেকে উদ্ধার করি। এরপরও তারা আমার ছেলেকে একটি কক্ষে নিয়ে আটক করে রাখে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুভাষ চন্দ্র সরকার জানান, স্বাস্থ্যকর্মীরা ওই যুবকে মারধর করেননি। তিনি দাবি করেন, ওই ছেলেটি মানসিক ভারসাম্যহীন। ছেলেটিকে আটকে রাখা হয়নি। তার পিতার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন