চেয়ারম্যান পদে মায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ছেলে!
jugantor
চেয়ারম্যান পদে মায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ছেলে!

  বগুড়া ব্যুরো  

০৭ নভেম্বর ২০২১, ২১:১১:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মা খালেদা আকতার ও ছেলে জুলফিকার হাসান শাওন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এতে ভোটাররা বিশেষ করে আত্মীয়স্বজনরা বেকায়দায় পড়েছেন। তারা মা না ছেলে কাকে ভোট দেবেন তা নিয়ে চিন্তিত।

তবে মা বলছেন, ছেলে প্রতিপক্ষ নয়; তাকে সহযোগিতা করতেই তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন। নিজের জন্য নয়; ছেলের জন্য ভোট চাইছেন তিনি।

জানা গেছে, আগামী ১১ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে মহিদুল ইসলাম (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান মতিন (মোটরসাইকেল), খালেদা আকতার (ঘোড়া) ও তার ছেলে জুলফিকার হাসান শাওন (আনারস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রার্থীদের মধ্যে শাওন বিহার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মা ও ছেলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় আত্মীয়স্বজন ভোটাররা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের নিয়ে ইউনিয়নে সরব আলোচনা চলছে। শাওনের বাবা শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন ও বড় চাচা আফজাল হোসেন বিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরবর্তীতে তার চাচাতো ভাই শরিফুল ইসলাম শরীর দুই দফা নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন।

মা খালেদা আকতার জানান, তিনি ছেলে শাওনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন না। তিনি তাকে সহযোগিতা করতে প্রার্থী হয়েছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে ছেলের কোনো সমস্যা হলে তিনি প্রার্থী হতেন। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ে ছেলে টিকে যায়। শেষপর্যন্ত প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে তার নাম থাকবে। তিনি ভোটারদের কাছে তার পরিবর্তে ছেলেকে ভোট দিতে অনুরোধ করছেন।

জুলফিকার হাসান শাওন জানান, তার বাবা ও চাচা বিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি তাদের কাছ থেকে জনপ্রতিনিধিত্ব করা শিখেছেন। ছোটবেলা থেকে চেয়ারম্যান হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

প্রতিদ্বন্দ্বী মা সম্পর্কে শাওন বলেন, তিনি (মা) চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দেননি। তিনি প্রচারণা থেকে বিরত রয়েছেন। শুধুমাত্র কেন্দ্রে এজেন্ট বেশি রাখার জন্য কৌশলগত কারণে মা প্রার্থী হয়েছেন।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আগামী ১১ নভেম্বর ১১ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩৭ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৮২ জনসহ মোট ৫৬৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

চেয়ারম্যান পদে মায়ের প্রতিদ্বন্দ্বী ছেলে!

 বগুড়া ব্যুরো 
০৭ নভেম্বর ২০২১, ০৯:১১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মা খালেদা আকতার ও ছেলে জুলফিকার হাসান শাওন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। এতে ভোটাররা বিশেষ করে আত্মীয়স্বজনরা বেকায়দায় পড়েছেন। তারা মা না ছেলে কাকে ভোট দেবেন তা নিয়ে চিন্তিত। 

তবে মা বলছেন, ছেলে প্রতিপক্ষ নয়; তাকে সহযোগিতা করতেই তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন। নিজের জন্য নয়; ছেলের জন্য ভোট চাইছেন তিনি।

জানা গেছে, আগামী ১১ নভেম্বর বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে মহিদুল ইসলাম (নৌকা), আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা মতিউর রহমান মতিন (মোটরসাইকেল), খালেদা আকতার (ঘোড়া) ও তার ছেলে জুলফিকার হাসান শাওন (আনারস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রার্থীদের মধ্যে শাওন বিহার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। মা ও ছেলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় আত্মীয়স্বজন ভোটাররা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন। তাদের নিয়ে ইউনিয়নে সরব আলোচনা চলছে। শাওনের বাবা শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন ও বড় চাচা আফজাল হোসেন বিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরবর্তীতে তার চাচাতো ভাই শরিফুল ইসলাম শরীর দুই দফা নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন।

মা খালেদা আকতার জানান, তিনি ছেলে শাওনকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছেন না। তিনি তাকে সহযোগিতা করতে প্রার্থী হয়েছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ে ছেলের কোনো সমস্যা হলে তিনি প্রার্থী হতেন। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ে ছেলে টিকে যায়। শেষপর্যন্ত প্রত্যাহার না করায় ব্যালটে তার নাম থাকবে। তিনি ভোটারদের কাছে তার পরিবর্তে ছেলেকে ভোট দিতে অনুরোধ করছেন। 

জুলফিকার হাসান শাওন জানান, তার বাবা ও চাচা বিহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি তাদের কাছ থেকে জনপ্রতিনিধিত্ব করা শিখেছেন। ছোটবেলা থেকে চেয়ারম্যান হওয়ার ইচ্ছা ছিল। তাই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। 

প্রতিদ্বন্দ্বী মা সম্পর্কে শাওন বলেন, তিনি (মা) চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য মনোনয়ন জমা দেননি। তিনি প্রচারণা থেকে বিরত রয়েছেন। শুধুমাত্র কেন্দ্রে এজেন্ট বেশি রাখার জন্য কৌশলগত কারণে মা প্রার্থী হয়েছেন। 

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, আগামী ১১ নভেম্বর ১১ ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। চেয়ারম্যান পদে ৫০ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩৭ জন এবং সাধারণ সদস্য পদে ৩৮২ জনসহ মোট ৫৬৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন